ফ্যাশন দুনিয়ায় সবচেয়ে বেশি আলোচিত তারকাদের একজন হয়ে উঠেছেন জর্জিনা রদ্রিগেজ। ক্রিস্টিয়ানো রোনালদোর সঙ্গে তার সম্পর্ক অবশ্যই তার পরিচিতির বড় অংশ। তবে ব্যবসায়ী হিসেবে নিজের কাজ, বিভিন্ন ব্যক্তিগত উদ্যোগ এবং সাম্প্রতিক সময়ে নিজের ক্রীড়াপোশাক ও অবসর পোশাকের ব্র্যান্ডের মাধ্যমে আলাদা পরিচিতিও তৈরি করেছেন তিনি।
সম্প্রতি নিজের নতুন গ্রীষ্মকালীন পোশাকের সংগ্রহ প্রকাশের মাধ্যমে সেই পরিচয়েরই আরেকটি দিক তুলে ধরেছেন জর্জিনা। কয়েকটি ছবি প্রকাশ করে তিনি নতুন পোশাকের প্রচার করেন। ধূসর রঙের প্যান্ট, টপ ও জ্যাকেট পরা জর্জিনার পেছনে দেখা যায় রোনালদোর ব্যক্তিগত বিমান। হাতে ছিল হার্মেসের বিলাসবহুল ব্যাগ, গলায় ক্রুশের অলংকার। সব মিলিয়ে ছবিতে আবারও স্পষ্ট হয়েছে, জর্জিনার জীবনে ফ্যাশন কতটা গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে।
তবে শেষ ছবিটিই সবচেয়ে বেশি নজর কেড়েছে। সেখানে জর্জিনার এক মেয়েকে খেলনা শিশু নিয়ে খেলতে দেখা যায়। আর খেলতে খেলতে তার হাতে ছিল এমন একটি অলংকার, যা সহজেই সবার নজর কাড়ে—রোনালদোর দেওয়া জর্জিনার বাগদানের আংটি।
এই আংটি অবশ্য সাধারণ কোনো অলংকার নয়। রোনালদো ও জর্জিনার প্রেমের গল্পে এর বিশেষ গুরুত্ব রয়েছে। শুধু তা-ই নয়, আংটির সম্ভাব্য মূল্য নিয়েও দীর্ঘদিন ধরে ব্যাপক আলোচনা রয়েছে।
আংটিটি তিনটি পাথরের নকশায় তৈরি। মাঝখানে রয়েছে ডিম্বাকৃতির একটি হীরা, যার দুই পাশে রয়েছে আরও দুটি পাথর। পুরো নকশাটি বসানো হয়েছে প্লাটিনামের ওপর।
বিশেষজ্ঞ ও অলংকারবিষয়ক বিভিন্ন গণমাধ্যমের অনুমান, আংটিটির মূল্য প্রায় ৩০ লাখ থেকে ৬০ লাখ মার্কিন ডলার। বাংলাদেশি মুদ্রায় যার পরিমাণ কয়েক কোটি টাকা। তবে রোনালদো এই আংটির জন্য ঠিক কত অর্থ ব্যয় করেছেন, তা কখনো প্রকাশ্যে জানাননি।
২০২৫ সালের ১১ আগস্ট প্রথমবার আংটিটি প্রকাশ্যে দেখিয়েছিলেন জর্জিনা। সেদিন রোনালদোর সঙ্গে তার বাগদানের খবর জানাতে দুজনের হাতের একটি ছবি প্রকাশ করেন তিনি। ছবির সঙ্গে জর্জিনা লিখেছিলেন, ‘হ্যাঁ, আমি রাজি। এই জীবনেও, আমার পরবর্তী সব জীবনেও।’
এরপর থেকে আংটিটি রোনালদো ও জর্জিনার সম্পর্কের অন্যতম পরিচিত প্রতীক হয়ে উঠেছে।
এদিকে সাম্প্রতিক সময়ে এই জুটির সম্ভাব্য বিয়ে নিয়েও নতুন করে গুঞ্জন ছড়িয়েছে। এমনকি আগস্টের প্রথম কয়েকটি শনিবারের কোনো একদিন তাদের বহুল প্রতীক্ষিত বিয়ে হতে পারে বলেও জল্পনা ছিল। তবে সেই দিনগুলো পেরিয়ে গেলেও এখন পর্যন্ত প্রকাশ্যে কোনো বিয়ের অনুষ্ঠান হওয়ার খবর পাওয়া যায়নি।

