বিশ্বকাপের ফাইনাল শেষে মাঠে আর্জেন্টিনা ও স্পেনের খেলোয়াড় এবং কোচিং স্টাফদের মধ্যে ঘটে যায় অপ্রীতিকর এক ঘটনা। এবার এই ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে বিশ্ব ফুটবলের নিয়ন্ত্রক সংস্থা ফিফা।
নিউ জার্সির মেটলাইফ স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত ফাইনালে অতিরিক্ত সময়ের ১০৬তম মিনিটে ফেরান তোরেসের একমাত্র গোলে আর্জেন্টিনাকে ১-০ ব্যবধানে হারিয়ে দ্বিতীয়বারের মতো বিশ্বকাপ জেতে স্পেন। তবে ম্যাচের শেষ দিকে আর্জেন্টিনার খেলোয়াড়দের শৃঙ্খলাভঙ্গের ঘটনায় উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে।
বিরতির অতিরিক্ত সময়ে স্পেনের পাও কুবারসির ওপর কঠোর ফাউল করার দায়ে আর্জেন্টিনার মাঝমাঠের খেলোয়াড় এনসো ফার্নান্দেসকে লাল কার্ড দেখান রেফারি স্লাভকো ভিনচিচ।
ম্যাচ শেষ হওয়ার পর প্রকাশিত ভিডিওতে দেখা যায়, আর্জেন্টিনার লিয়ান্দ্রো পারেদেস ও নাহুয়েল মোলিনা স্পেনের এরিক গার্সিয়া ও রদ্রিকে আঘাত করছেন। একই সঙ্গে আর্জেন্টিনার সহকারী কোচ রোবের্তো আয়ালাকেও স্পেনের দানি ওলমোকে আঘাত করতে দেখা যায়।
এ ছাড়া মোলিনা পরে রদ্রিকে ঘিরে ধরেন। সেই সময় রদ্রির সঙ্গে কথাকাটাকাটিতে জড়িয়ে পড়েন তার সাবেক সতীর্থ নিকোলাস ওতামেন্দি।
পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে দ্রুত এগিয়ে আসেন আর্জেন্টিনার প্রধান কোচ লিওনেল স্কালোনি এবং দলের অন্য খেলোয়াড়রা। এরপরই বিষয়টি নিয়ে আনুষ্ঠানিক তদন্ত শুরুর ঘোষণা দেয় ফিফা।
ফিফার বিবৃতিতে বলা হয়েছে, ‘স্পেন ও আর্জেন্টিনার মধ্যকার বিশ্বকাপ ফাইনালের ম্যাচ-প্রতিবেদন পর্যালোচনার পর এবং শৃঙ্খলাবিধির ৩৬ নম্বর ধারার আলোকে সম্ভাব্য শৃঙ্খলাভঙ্গের ঘটনাগুলোর তদন্তের জন্য একজন শৃঙ্খলা ও নৈতিকতা বিষয়ক তদন্তকারী নিয়োগ করা হয়েছে।’
বিবৃতিতে আরও বলা হয়, ‘তদন্তকারীর প্রতিবেদন সম্পন্ন হওয়ার পর শৃঙ্খলা কমিটি এ বিষয়ে পরবর্তী সিদ্ধান্ত ও বিস্তারিত জানাবে।’
এদিকে এনসো ফার্নান্দেস বিশ্বকাপের ফাইনালে লাল কার্ড দেখা প্রথম ফুটবলার হলেন ২০১০ সালের পর। সর্বশেষ ২০১০ সালের ফাইনালে স্পেনের বিপক্ষে খেলতে গিয়ে নেদারল্যান্ডসের জন হেইটিঙ্গা লাল কার্ড দেখেছিলেন।

