ঢাকা২৪শে এপ্রিল, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ

তারেক রহমানই আজ বাংলাদেশের জনগণের আশা-আকাঙ্ক্ষার প্রতীক

admin
জানুয়ারি ২৮, ২০২৬ ১১:১২ অপরাহ্ণ
Link Copied!

সত্য সমাচার ডিজিটাল:

জিয়াউর রহমান, খালেদা জিয়ার পতিচ্ছবি তারেক রহমান ২৫ ডিসেম্বর বাংলাদেশের মাটিতে পা রেখেই জুতামুজা খুলে এয়ারপোর্টে মাটি ছুয়ার দৃশ্য দেখে মানুষ অভিভূত হয়ে পড়েন, এর পর তিনশ ফিটের বক্তব্য, করাইলবস্তি, বনানী ক্লাব মাঠ, সিলেটের বক্তব্য, চট্টগ্রাম, ফেনী, চৌদ্দগ্রাম, কুমিল্লার বক্তব্য শোনার পর প্রতিদিন দেশের মানুষের মধ্যে তারেক রহমান নেতা থেকে জননেতাই পরিনত হওয়ার এক প্রলয়কারী ঘর্নিঝড়ের মতো আবহাওয়া তৈরি হতে শুরু করেছে। আমাদের উচিত, দেশ গড়ার জন্য কার দলের কী পলিসি আছে তা নিয়ে জনগণের সামনে যাওয়া। জনগণই ডিসাইড করবে কাদের কোন পরিকল্পনা যুৎসই এবং ট্রাস্ট রাখা যায়। এক্সাক্টলি! এমন পলিটিশিয়ানই আমরা চাই। তারেক রহমানই আজ বাংলাদেশের জনগণের আশা-আকাঙ্ক্ষার প্রতীক। এই অভূতপূর্ব জনসমর্থন একটি গণতান্ত্রিক, সমতাভিত্তিক ও কল্যাণমুখি রাষ্ট্রগঠনে জাতীয়তাবাদী শক্তিকে নতুন করে অনুপ্রেরণা জুগিয়েছে।

জননেতা তারেক রহমানের বক্তব্যে আমি একটা ইন্টারেস্টিং বিষয়ে লক্ষ্য করেছি, নিউইয়র্কের মেয়র জোহরান কোয়ামে মামদানির নির্বাচনী কৌশল আর জননেতা তারেক রহমান এর নির্বাচনী কৌশল অনেকটা একই ধরনের।

তারেক রহমান নিউইয়ার্কের মেয়র জোহরান কোয়ামে মামদানির মতো একই কৌশল অবলম্বন করেই নির্বাচনের ক্যাম্পেইন করে যাচ্ছেন, যাতে করে মানুষের মনোজগতে খুব সহজেই জায়গা করে নেওয়া যায়।

মামদানি তার বক্তব্য দেওয়ার সময় যখন যে অঞ্চলে বা যে সম্প্রদায়ের মানুষের উদ্দেশ্যে বক্তব্য রেখেছেন, কথা প্রসঙ্গে উনি সেই অঞ্চলের বা সম্প্রদায় থেকেই বাস্তব জীবন বা কালচার থেকে
উদাহরণ দিতেন, তাদের ভাষাতেই বলতে চেষ্টা করেন। যেমন: ধরেন, তিনি ভারতীয় কমিউনিটির লোকদের সামনে কথা বলছেন, তখন তিনি বলিউড থেকে উদাহরণ তুলে ধরেছেন।
আবার এরাবিয়ানদের সামনে কথা বলার সময়ে তিনি এরাবিয়ান কালচার থেকে উদাহরণ টানছেন। এতে করে মানুষ সহজেই নিজেকে কানেক্ট করতে পারেন। ফলে অল্প বক্তব্যেই খুব সহজে মানুষের মুখে হাসি ফুটাতে পেরেছেন।

তারেক রহমানও ঠিক সেম কৌশল অবলম্বন করে যাচ্ছেন। উনি আজকে চট্টগ্রাম পলোগ্রাউন্ডে চট্টগ্রামবাসীর উদ্দেশ্যে বক্তৃতা দেওয়ার সময়ে প্রথমে সালাম দিয়ে বলেন, আন্নেরা ক্যান আছুন?

এরপর তিনি চট্টগ্রামে তার বাবা এবং মায়ের স্মৃতিরোমন্থন করলেন। এই চট্টগ্রামে বেতারকেন্দ্র থেকে তার বাবা শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান স্বাধীনতার ঘোষণা দিয়ে ছিলেন, মা বেগম খালেদা জিয়াকে এখানেই ‘দেশনেত্রী’ উপাধি দেওয়া হয়েছিল। ভূমিকায় এসব স্মৃতি টেনে পরিবার ও দলের পক্ষ থেকে চট্টগ্রামবাসীকে কৃতজ্ঞতা জানিয়ে মূল কথায় প্রবেশ করেন।

তার মূল বক্তৃতায় প্রথমে তিনি জুলাই আন্দোলনে ছাত্র-জনতার রক্তস্নাত অর্জনকে এড্রেস করেন। এরপর যেই পরিবর্তনের লক্ষ্যে এতো এতো মানুষ প্রাণ দিল, সেই পরিবর্তনে রাজনীতি শুরু করার জন্য শক্ত প্রতিশ্রুতি ব্যক্ত করেন।

তিনি বলেন, খেটেখাওয়া মানুষ চায় তার জীবনের নিরাপত্তা, অর্থনৈতিক নিরাপত্তা, চাকরিজীবীরা চায় নিরাপদে চাকরি করতে, নারীরা চায় নিরাপত্তা, সামাজিক মর্যাদা ও পর্যপ্ত কর্মক্ষেত্র, এসব সমস্যা খুব ভালো ভাবেই এড্রেস করেন।

তিনি আরো বলেন, জনগণের ভোটে তার দল বিএনপি ক্ষমতায় যেতে পারলে পরিবর্তনের লক্ষ্যে তার পলিসিগুলোও শেয়ার করেন। মানুষের রাজনৈতিক অধিকার প্রতিষ্ঠা করতে কমিটমেন্ট দিছেন।

আমরা চাইলে মানুষকে মনভুলানো গল্প শোনাতে পারি ভোট পাওয়ার জন্য যে, আমরা প্রতিটি জেলায় জেলায় হসপিটাল করব। কিন্তু আমরা এসব না করে সুনির্দিষ্টভাবে সমস্যা চিহ্নিত করে তা সমাধানে দলের পলিসিগুলো আপনাদের সামনে তুলে ধরছি। বাংলাদেশের গ্রাম-গঞ্জে হাসপাতালগুলোর বেহাল অবস্থা। আমরা সেসব হাসপাতালে এমন চিকিৎসাব্যবস্থা গড়ে তুলতে চাই যাতে করে গ্রামেগঞ্জেও প্রতিটি নাগরিক প্রপার স্বাস্থ্যসেবা পান। এজন্য আমাদের পরিকল্পনা আছে সরকারি প্রশিক্ষণ দিয়ে ১ লক্ষ স্বাস্থ্যকর্মী তৈরি করার। যার ৮০ শতাংশ হবেন নারী।

প্রাইমারী থেকে শিক্ষাব্যবস্থা মৌলিক গ্রাউন্ড ঢেলে সাজানো ব্যাপারে পরিকল্পনার কথাও তিনি বলছেন। উদাহরণ টানেন, বেগম জিয়াকে কীভাবে একটা সিদ্ধান্ত ইমপ্লিমেন্ট করে নারীদের জন্য উচ্চমাধ্যমিক পর্যন্ত শিক্ষা নিশ্চিতে কাজ করেছেন। জননেতা তারেক রহমানও তার ভবিষ্যত পরিকল্পনার কথা জানান। সার্টিফিকেট শিক্ষা না দিয়ে দক্ষ জনশক্তি হিসেবে গড়ে তুলতে তিনি কী কী করতে চান সেটাও বিভিন্ন সমাবেশে বক্তব্যে তুলে ধরছেন। আইনশৃঙ্খলা কঠোরভাবে নিয়ন্ত্রণ করার প্রতিশ্রুতিও দেন।

তার বক্তব্যের সর্বজন গ্রহণযোগ্য উক্তি হলো জেন্টেলম্যান পলিটিক্সের আহবান এবং আমরা একদল আরেকদলের সমালোচনা করে দিন পার করলে এতে মানুষের উপকার হবে না। আমাদের উচিত, দেশ গড়ার জন্য কার দলের কী পলিসি আছে তা নিয়ে জনগণের সামনে যাওয়া। জনগণই ডিসাইড করবে কাদের কোন পরিকল্পনা যুৎসই এবং ট্রাস্ট রাখা যায়। এক্সাক্টলি! এমন পলিটিশিয়ানই আমরা চাই।

এই সাইটে নিজম্ব নিউজ তৈরির পাশাপাশি বিভিন্ন নিউজ সাইট থেকে খবর সংগ্রহ করে সংশ্লিষ্ট সূত্রসহ প্রকাশ করে থাকি। তাই কোন খবর নিয়ে আপত্তি বা অভিযোগ থাকলে সংশ্লিষ্ট নিউজ সাইটের কর্তৃপক্ষের সাথে যোগাযোগ করার অনুরোধ রইলো। বিনা অনুমতিতে এই সাইটের সংবাদ, আলোকচিত্র অডিও ও ভিডিও ব্যবহার করা বেআইনি।