ঢাকা২৩শে এপ্রিল, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ

সীমান্তে সাউন্ড গ্রেনেড-টিয়ারশেল ব্যবহারের অনুমতি পেল বিজিবি

admin
জানুয়ারি ২০, ২০২৫ ২:৪৭ অপরাহ্ণ
Link Copied!

সত্য সমাচার ডেস্ক
২০ জানুয়ারি ২০২৫

লালমনিরহাট সীমান্তে বাংলাদেশ-ভারতের মধ্যে কয়েকদিন ধরে চলা উত্তেজনার পর, বাংলাদেশ সীমান্তরক্ষী বাহিনীকে (বিজিবি) সাউন্ড গ্রেনেড ও টিয়ারশেল ব্যবহারের অনুমোদন দেওয়া হয়েছে।

সোমবার (২০ জানুয়ারি) দুপুরে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জাবাবে এ তথ্য জানান স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা লেফটেন্যান্ট জেনারেল (অব.) মো. জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী।

উপদেষ্টা বলেন, সীমান্তে সবসময় প্রাণঘাতী অস্ত্রই দেওয়া ছিল। অনেকে প্রশ্ন করেছেন, বিজিবি কেন সাউন্ড গ্রেনেড মারেনি, কেন কাঁদানে গ্যাস মারেনি? কিন্তু এগুলো তো বিজিবির কাছে নেই। তাদের কাছে প্রাণঘাতী অস্ত্র, যেটা তারা ব্যবহার করতে পারেনি। এখন আমরা তাদের অনুমতি দিয়ে দিয়েছি, তাদের জন্য এসব জিনিস ক্রয় করা হবে। এখন সীমান্ত পরিস্থিতি অনেকটা স্বাভাবিক আছে। তবে ভারতের বিএসএফ সাউন্ড গ্রেনেড ব্যবহার করছে।

বৈঠকে জানানো হয়, সীমান্ত এলাকায় চোরাচালান, অনুপ্রবেশ এবং অন্যান্য আইনশৃঙ্খলাজনিত সমস্যা মোকাবিলায় বিজিবির কার্যক্রম আরও জোরদার করতে হবে। এ জন্য সাউন্ড গ্রেনেড এবং টিয়ার শেল ব্যবহার করার মতো সরঞ্জামের প্রয়োজনীয়তা উঠে এসেছে। বিজিবির ব্যবহারের জন্য এ সরঞ্জাম কেনার অনুমোদন দ্রুত কার্যকর করা হবে।

বাংলাদেশে অবৈধভাবে বসবাস করা বিদেশিদের নিয়ে তিনি বলেন, এর আগে একটি সার্কুলার দিয়েছিলাম যে আমাদের দেশে অনেকেই অবৈধভাবে বসবাস করছেন। তাদের ভিসার মেয়াদ শেষ হয়ে গেছে। ৪৯ হাজার ২২৬ বিদেশি বাংলাদেশে অবৈধভাবে বসবাস করছিলেন। এখন সেটা কমে আসছে ৩৩ হাজার ৬৪৮ জনে। আগামী ৩১ জানুয়ারি তাদের সময়সীমা শেষ হয়ে যাবে।

তিনি বলেন, এর মধ্যে এসব বিদেশির মাধ্যমে ১০ কোটি ৫৩ লাখ টাকা আমরা রাজস্ব আয় করেছি। বিদেশিদের কাজ দিতে হলে অনুমতি নিতে হয়। কিন্তু যদি তারা সেটা না নিয়ে থাকেন, তাহলে যেই সংস্থা তাদের চাকরি দেবে, তাদের বিরুদ্ধেও ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

সূত্র : ইউএনবি

এই সাইটে নিজম্ব নিউজ তৈরির পাশাপাশি বিভিন্ন নিউজ সাইট থেকে খবর সংগ্রহ করে সংশ্লিষ্ট সূত্রসহ প্রকাশ করে থাকি। তাই কোন খবর নিয়ে আপত্তি বা অভিযোগ থাকলে সংশ্লিষ্ট নিউজ সাইটের কর্তৃপক্ষের সাথে যোগাযোগ করার অনুরোধ রইলো। বিনা অনুমতিতে এই সাইটের সংবাদ, আলোকচিত্র অডিও ও ভিডিও ব্যবহার করা বেআইনি।