ভবিষ্যৎ বিশ্বকাপের অংশীদারত্ব বেসরকারি বিনিয়োগকারীদের কাছে বিক্রি করে ২ হাজার কোটি ডলার সংগ্রহের ব্যর্থ প্রচেষ্টার পর নিজের ভবিষ্যৎ নিয়ে অনিশ্চয়তা তৈরি হলেও ফের ফিফা প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবেন জিয়ান্নি ইনফান্তিনো। ৫৬ বছর বয়সী ইনফান্তিনো ২০১৬ সালে ফিফা প্রেসিডেন্টের দায়িত্ব নেন।
আগামী মার্চে ফিফার কংগ্রেসে অনুষ্ঠেয় নির্বাচনে চতুর্থ ও শেষ মেয়াদের জন্য তার বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হওয়ার সম্ভাবনাই এত দিন বেশি ছিল।
তবে ফিফা ফরোয়ার্ড এন্টারপ্রাইজেসের অংশীদারত্ব যুক্তরাষ্ট্রের বিনিয়োগ প্রতিষ্ঠান থ্রাইভ ইটারনালের কাছে বিক্রির পরিকল্পনা নিয়ে বিতর্ক দেখা দেওয়ায় বিশ্ব ফুটবলে বড় ধরনের বিভাজন তৈরি হয়েছে। প্রতিষ্ঠানটির নেতৃত্বে রয়েছেন জোশুয়া কুশনার, যিনি যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের জামাতা জ্যারেড কুশনারের ভাই।
ইনফান্তিনোর এই পরিকল্পনার কারণে ইউরোপীয় ফুটবল সংস্থা, উত্তর ও মধ্য আমেরিকা এবং ক্যারিবীয় ফুটবল সংস্থা এবং এশীয় ফুটবল কনফেডারেশনসহ বেশ কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ সংগঠন তাঁর প্রতি সমর্থন হারানোর কথা জানিয়েছে।
তবে সাম্প্রতিক সপ্তাহগুলোতে কয়েকটি দেশ আবারও ইনফান্তিনোর প্রতি সমর্থন জানিয়েছে। ২১১টি সদস্য দেশের ভোটে সাধারণ সংখ্যাগরিষ্ঠতা পেলেই তিনি প্রেসিডেন্ট পদে বহাল থাকতে পারবেন। ফিফাও নিশ্চিত করেছে, সরাসরি কোনো প্রতিদ্বন্দ্বী থাকুক বা না থাকুক, ইনফান্তিনো পুনর্নির্বাচনে লড়বেন।
ফিফার এক মুখপাত্র বলেন, ‘ফিফা প্রেসিডেন্ট এপ্রিলে ঘোষণা করেছিলেন যে তিনি ২০২৭ সালের নির্বাচনে পুনর্নির্বাচনের জন্য প্রার্থী হবেন। অবশ্যই কোনো কিছুই পরিবর্তন হয়নি। ইনফান্তিনো পুনর্নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবেন।’
উত্তর ও মধ্য আমেরিকা এবং ক্যারিবীয় ফুটবল সংস্থার প্রেসিডেন্ট ভিক্টর মন্তাগলিয়ানি ইনফান্তিনোর সম্ভাব্য প্রতিদ্বন্দ্বী হিসেবে আলোচনায় রয়েছেন। ইনফান্তিনোর বিপক্ষে প্রতিদ্বন্দ্বিতা হওয়ার পক্ষেও প্রকাশ্যে সমর্থন জানিয়েছে ইউরোপীয় ফুটবল সংস্থা।
ফিফা প্রেসিডেন্ট পদে প্রার্থীদের মনোনয়ন জমা দেওয়ার শেষ সময় আগামী ১৮ নভেম্বর।

