সত্য সমাচার ডিজিটাল :
পবিত্র কোরআনের নির্দেশনা অনুযায়ী, যাকাতের প্রকৃত হকদার হলো সমাজের দরিদ্র, অভাবী, ঋণগ্রস্ত, মুসাফিরসহ মজলুম জনগণ।
সঠিক নিয়মে যাকাত প্রদান এবং অসহায়দের হক রক্ষা করা কোরবানির অন্যতম প্রধান শিক্ষা। ত্যাগের মহিমায় ভাস্বর কেবল পশু কোরবানিই যথেষ্ট নয়, বরং নিজের সম্পদের নির্দিষ্ট অংশ সঠিকভাবে দরিদ্রদের মাঝে বণ্টন করা মুসলিমদের জন্য অপরিহার্য।
কোরবানির মাধ্যমে যেমন পশু জবাই করে মনের পাশবিক প্রবৃত্তি ও লোভ-লালসা বিসর্জন দেওয়া হয়, তেমনি যাকাত প্রদানের মাধ্যমে সম্পদের মোহ ও কৃপণতা দূর হয়।
ধনী ও গরিবের মাঝে বৈষম্য দূরীকরণে যাকাত ও কোরবানির গোশত সঠিক নিয়মে দরিদ্রদের মাঝে বণ্টন করলে সমাজে অর্থনৈতিক ভারসাম্য ও সম্প্রীতি বজায় থাকে।
অনেকেই কোরবানির বিধান না জেনে নিজের স্ত্রী, ছেলে-মেয়ে, নাতি-নাতনিদের সঙ্গে গরু জবাই করে আমোদ ফুর্তি করে।
দুর্নীতিমুক্ত বাংলাদেশ গড়ার সামাজিক গণআন্দোলনের সংগঠন “দুর্নীতি বিরোধী জাতীয় সমম্বয় কমিটির” উদ্যোগে প্রতিবন্ধী, দুস্থ ও মজলুমদের মাঝে ধানমন্ডির তাকওয়া মসজিদের সামনে ঈদের দিন বিকাল ৪ টায় গোস্ত ও নগদ অর্থ বিতরণ কর্মসূচি উদ্ভোধন করে সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক ও মুখপাত্র সারোয়ার ওয়াদুদ চৌধুরী বলেন, মানব সৃষ্টির মহান উদ্দেশ্যে প্রতিপালন, সৃষ্টির সেরা জীব মানুষ হিসেবে মানুষের কল্যাণের জন্য মানুষ, পরকালীন মুক্তির জন্য স্রষ্টার সন্তুষ্টির জন্য ত্যাগ, সঠিক নিয়মে যাকাত প্রদান ও মজলুমের হক রক্ষা করাই কোরবানির শিক্ষা।
সারোয়ার ওয়াদুদ চৌধুরী, স্বার্থপরতা, মিথ্যাচার, উশৃঙ্খলতা পরিহার করে দলীয়করণ ও আত্মীয়করণ মুক্ত— নৈতিক, মানবিক, কল্যাণ রাষ্ট্র গঠনে দুর্নীতি বিরোধী জাতীয় সমন্বয় কমিটির জাতির মুক্তির সনদ ১১ দফা সমর্থন করার জন্য দলমত নির্বিশেষে সকল শ্রেণি পেশার দেশপ্রেমিকদের প্রতি আহ্বান জানান।
এই সময় উপস্থিত ছিলেন উনসত্তরের গণঅভ্যুত্থানের শহীদ আসাদের সহোদর ডা. এ এম নুরুজ্জামান, ড. জমিরুল আক্তার, অবসরপ্রাপ্ত ক্যাপ্টেন ওমর ফারুক বিএন, এড. গোলাম সারোয়ার, আফাজ উদ্দিন, হাসিব চৌধুরীসহ অনেকে।
প্রকৃত প্রতিবন্ধী ও মজলুমদের মাঝে গোস্ত ও নগদ অর্থ বিতরণ কর্মসূচি আরো কয়েকদিন অব্যাহত থাকবে।

