সিলেটের কোম্পানীগঞ্জের সাদা পাথর থেকে লুট হওয়া পাথর উদ্ধারে গতকাল বুধবার দিবাগত রাত থেকে অভিযান শুরু করেছে যৌথবাহিনী। অভিযানে আজ বৃহস্পতিবার দুপুর পর্যন্ত শতাধিক গাড়ি তল্লাশি করা হয়। এর মধ্যে ৭০টি ট্রাকের প্রায় ৩৫ হাজার ঘনফুট পাথর আটক করে সাদা পাথরে পুনঃস্থাপনের প্রক্রিয়া চলছে।
জানা গেছে, বৃহস্পতিবার অভিযানে সিলেট-ভোলাগঞ্জ ও সিলেট-জাফলং সড়কে শত শত ট্রাক আটক করা হয়। এসব ট্রাকে ভোলাগঞ্জের বিভিন্ন পাথরভাঙা কল ও ডাম্পিং জোন থেকে ভাঙা পাথর বোঝাই করে ঢাকা, চট্টগ্রামসহ বিভিন্ন গন্তব্যে নিয়ে যাওয়া হচ্ছিল।
তবে মূল জায়গার বদলে সড়কে এমন অভিযানের প্রতিবাদ জানিয়েছেন ট্রাক চালকরা। এতে তারা ব্যাপক হয়রানি ও বেকায়দায় পড়েছেন বলে দাবি করেন।
সিলেটের অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট ফারজানা আক্তার মিতা বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, প্রাকৃতিক সম্পদ রক্ষা ও পরিবেশ বাঁচাতে এই অভিযান অব্যাহত থাকবে। অবৈধভাবে পাথর উত্তোলন, মজুত বা পাচারে জড়িতদের কাউকে ছাড় দেওয়া হবে না।
লুট হওয়া পাথরের তুলনায় এখন পর্যন্ত উদ্ধার হওয়া পাথরের পরিমাণ অতি সামান্য বলেও জানান সিলেটের অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট।
এদিকে পাথর লুটের সঙ্গে জড়িত থাকার অভিযোগে কোম্পানীগঞ্জ উপজেলার পূর্ব ইসলামপুর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান মো. আলমগীর আলমকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।

