সত্য সমাচার ডেক্স :
১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৫
জাতীয় রাজস্ব বোর্ডকে (এনবিআর) ভাগ করে রাজস্বনীতি ও রাজস্ব ব্যবস্থাপনা নামে আলাদা দুটি বিভাগ প্রতিষ্ঠার কার্যক্রম চালুর কাজ চলছে। এ জন্য রুলস অব বিজনেস পরিবর্তনের পাশাপাশি কয়েকটি আইন সংশোধনের কাজ শেষ পর্যায়ে রয়েছে। সরকারের প্রত্যাশা আগামী বছরের শুরুতে বিভাগ দুইটির কার্যক্রম আলাদাভাবে চালু করার। আর এর মধ্য দিয়ে বিলুপ্ত হয়ে যাবে এনবিআর। খবর অর্থ মন্ত্রণালয় সূত্রের।
এনবিআর সংস্কার পরামর্শক কমিটির প্রধান ও এনবিআরের সাবেক চেয়ারম্যান ড. মোহাম্মদ আব্দুল মজিদ গতকাল আমাদের সময়কে বলেন, রাজস্বনীতি ও ব্যবস্থাপনা বিভাগ আলাদা করার বিষয়ে কাজ করছে সরকার। অর্গানোগ্রাম ঠিক করে এটি চালু করতে হবে। যদিও বিষয়টি সহজ নয়। তবে স্বচ্ছতার জন্য এটি করতে হবে। এর আগে মন্ত্রণালয়কে আলাদা করার নজির রয়েছে।
জানা গেছে, এনবিআর ও অভ্যন্তরীণ সম্পদ বিভাগ বিলুপ্ত করে রাজস্ব নীতি ও রাজস্ব ব্যবস্থাপনা বিভাগ নামে দুটি বিভাগ করে গত ১২ মে অধ্যাদেশ জারি করে অন্তর্বর্তী সরকার। তবে এনবিআর কর্মীদের আন্দোলনের মুখে এই অধ্যাদেশ স্থগিত করে সরকার। আন্দোলনকারীদের মূল দাবি ছিল, পদায়নের ক্ষেত্রে রাজস্ব কর্মকর্তাদের অগ্রাধিকার দেওয়া। আন্দোলনকারীদের সঙ্গে বৈঠক করে অধ্যাদেশ সংশোধনে পাঁচ সদস্যদের কমিটি গঠন করে সরকার। কমিটির সুপারিশের ভিত্তিতে ১১টি ধারায় গুরুত্বপূর্ণ সংযোজন-বিয়োজন করে সংশোধিত অধ্যাদেশ জারি করা হয়।
গত ১ সেপ্টেম্বর রাজস্বনীতি ও রাজস্ব ব্যবস্থাপনা (সংশোধন) অধ্যাদেশ-২০২৫ জারি করে সরকার। এর আগে ২১ আগস্ট সংশোধিত অধ্যাদেশের খসড়া উপদেষ্টা পরিষদের বৈঠকে অনুমোদন হয়। সংশোধিত অধ্যাদেশ অনুযায়ী নিয়োগের ক্ষেত্রে রাজস্ব আহরণে অভিজ্ঞ কর্মকর্তারা প্রাধান্য পাবেন। দুই বিভাগেই রাজস্ব আদায় কাজে অভিজ্ঞদের অগ্রাধিকার দেওয়া হবে।
এদিকে গত সপ্তাহে অর্থ উপদেষ্টা ড. সালেহউদ্দিন আহমেদ বলেন, এনবিআর ভাগ করে রাজস্বনীতি এবং রাজস্ব ব্যবস্থাপনা নামে আলাদা দুটি বিভাগ প্রতিষ্ঠার জন্য রুলস অব বিজনেস পরিবর্তনের কাজ শেষ পর্যায়ে রয়েছে। এতদিন অর্থ মন্ত্রণালয়ের অধীন অর্থ, আর্থিক প্রতিষ্ঠান, অভ্যন্তরীণ সম্পদ ও অর্থনৈতিক সম্পর্ক বিভাগ নামে চারটি বিভাগ ছিল। আগামীতে অভ্যন্তরীণ সম্পদ বিভাগ বিলুপ্ত করে নতুন রাজস্ব নীতি এবং রাজস্ব ব্যবস্থাপনা নামে আলাদা দুটি বিভাগ প্রতিষ্ঠা করা হবে। একই সঙ্গে এনবিআরও বিলুপ্ত হয়ে যাবে।
উপদেষ্টা বলেন, নতুন দুই বিভাগের অর্গানোগ্রামও ঠিক করা হচ্ছে। এতদিন এনবিআরে চেয়ারম্যানের পরে সদস্যসহ অন্যান্য পদ ছিল। বিভাগের ক্ষেত্রে সচিবের পরের পদগুলো কীভাবে বিন্যস্ত করা যায়, তা নিয়েও কাজ চলছে। সার্বিকভাবে এনবিআরকে দুই ভাগ করতে দু-তিনটি আইন সংশোধন করার প্রয়োজনীয় উদ্যোগও নেওয়া হয়েছে।
জানা গেছে, বর্তমানে অর্থ মন্ত্রণালয়ের অধীনে চারটি বিভাগ রয়েছে। নতুন অধ্যাদেশ অনুযায়ী বিভাগ করা হবে পাঁচটি। বর্তমানের চার বিভাগ হচ্ছে অর্থ বিভাগ, অভ্যন্তরীণ সম্পদ বিভাগ (আইআরডি), অর্থনৈতিক সম্পর্ক বিভাগ (ইআরডি) এবং আর্থিক প্রতিষ্ঠান বিভাগ (এফআইডি)। নতুন পাঁচ বিভাগের মধ্যে অর্থ বিভাগ, ইআরডি ও এফআইডি থাকবে। বাদ পড়বে আইআরডি। তবে নতুন যুক্ত হবে রাজস্বনীতি বিভাগ ও রাজস্ব ব্যবস্থাপনা বিভাগ।
রাজস্ব বাড়াতে জোরালো হচ্ছে গোয়েন্দা কার্যক্রম

বড় প্রবৃদ্ধির মধ্য দিয়ে নতুন অর্থবছরের যাত্রা শুরু করেছে জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এবিআর)। তবে রাজস্ব আহরণে জুলাই মাসে ২৪.৩৩ শতাংশ প্রবৃদ্ধি অর্জিত হলেও লক্ষ্যমাত্রা থেকে কিছুটা পিছিয়ে রয়েছে। জুলাই মাসে এনবিআরের রাজস্ব আদায়ের লক্ষ্য ছিল ৩০ হাজার ১১১ কোটি টাকা, আদায় হয়েছে ২৭ হাজার ২৪৭ কোটি টাকা; ঘাটতি ২ হাজার ৮৬৪ কোটি টাকা। বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে নিয়েছে এনবিআর। ইতোমধ্যে রাজস্ব আহরণ পরিস্থিতি নিয়ে পর্যালোচনা সভা করেছে। এনবআিরের আয়কর, মূসক ও শুল্ক এই তিন বিভাগের কর্মকর্তারা সভায় উপস্থিত ছিলেন। সেখানে এনবিআর চেয়ারম্যান আবদুর রহমান খান রাজস্ব আদায় বাড়াতে কঠোর নির্দেশনা দিয়েছেন। প্রতিটি কর অঞ্চলকে গোয়েন্দা কার্যক্রম বৃদ্ধির মাধ্যমে কর ফাঁকি উদ্ঘাটন করারও নির্দেশ দিয়েছেন।
জানা গেছে, দেশে এখন ১ কোটি ১২ লাখের মতো টিআইএনধারী আছেন। তাদের মধ্যে ৪০ থেকে ৪২ লাখ টিআইএনধারী প্রতিবছর রিটার্ন দেন। বার্ষিক আয় সাড়ে তিন লাখ টাকার বেশি হলেই রিটার্ন দিয়ে কর দিতে হয়। দাখিলকৃত আয়কর রিটার্নসমুহ আয়কর আইনের বিধান অনুসারে প্রসেসিং করার মাধ্যমে কর আদায় কার্যক্রম বেগবান করার পরামর্শ দিয়েছেন এনবিআর চেয়ারম্যান।
বৈঠক সূত্র জানিয়েছে, টিআইএন থাকা সত্ত্বেও যেসব করদাতা আয়কর রিটার্ন দাখিল করেন না, তাদের সবাইকে রিটার্ন দাখিলের নোটিশ পাঠিয়ে তাদের আয়, ব্যয় ও সম্পদের তথ্য সরেজমিন তদন্ত করে, আইন অনুযায়ী আয়কর আরোপ করে তা আদায় করার কার্যক্রম নিয়ে প্রতি মাসের রাজস্ব সভায় তথ্য-উপাত্ত উপস্থাপনের নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।
বৈঠকে অংশ নেওয়া একাধিক কমিশনার আমাদের সময়কে বলেন, বন্ড সুবিধার অপব্যবহার বন্ধে কঠোর অবস্থান নেওয়া হয়েছে। ফলে রপ্তানিপণ্য উৎপাদনের জন্য বন্ড সুবিধার আওতায় আমদানি করা পণ্য বা কাঁচামাল খোলা বাজারে বিক্রির প্রমাণ পেলে তাৎক্ষণিকভাবে সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানের বন্ড লাইসেন্স বাতিল করা হবে। এনবিআরের তথ্যমতে, অনেক প্রতিষ্ঠানই এসব পণ্য স্থানীয় বাজারে বিক্রি করে দেয়। এর বিরুদ্ধে বর্তমানে ‘বিআইএন লক’সহ (প্রতিষ্ঠানের ট্যাক্স আইডি স্থগিত করে ব্যবসায়িক কার্যক্রম বন্ধ করা) ফৌজদারি মামলা করে এনবিআর।
এনবিআর চেয়ারম্যান আবদুর রহমান খান সভায় বলেন, বন্ড সুবিধার অপব্যবহারের সঙ্গে রাজস্ব কর্মকর্তা-কর্মচারীদের ন্যূনতম সংশ্লিষ্টতার প্রমাণ পাওয়া গেলে তাদেরও আইনের আওতায় আনা হবে।
জানা গেছে, এনবিআরের তিনটি অফিসের আওতায় বন্ড লাইসেন্সধারী প্রতিষ্ঠানের সংখ্যা প্রায় ৮ হাজার। মূলত রপ্তানিকারক প্রতিষ্ঠানগুলোকে শুল্কমুক্ত সুবিধায় কাঁচামাল ও অ্যাকসেসরিজ আমদানির সুবিধা দিতে বন্ড লাইসেন্স দেওয়া হয়। এর শর্ত হলো, আমদানি করা কাঁচামাল দিয়ে তৈরি পণ্য পুরোটাই রপ্তানি করতে হবে। স্থানীয় বাজারে বিক্রি করতে হলে ওই কাঁচামালের ওপর প্রযোজ্য শুল্ক ও কর পরিশোধ করতে হবে।
জানা গেছে, এ লাইসেন্সের বড় একটি অংশ পেয়েছে পোশাক ও অ্যাকসেসরিজ কারখানাগুলো। বস্ত্রকল মালিকরা দীর্ঘদিন ধরে তাদের বিরুদ্ধে এই সুবিধা অপব্যবহারের অভিযোগ করে আসছেন। চার-পাঁচ বছর আগে এনবিআর ঢাকা, নারায়ণগঞ্জ, গাজীপুর ও সিরাজগঞ্জে ফৌজদারি মামলা করে এবং অভিযান চালায়। কিন্তু পরে এই কার্যক্রমে ভাটা পড়েছে। এর ফলে বিপুল পরিমাণ বন্ড সুবিধার পণ্য অবৈধভাবে খোলা বাজারে বিক্রি হচ্ছে বলে অভিযোগ করেছে বাংলাদেশ টেক্সটাইল মিলস অ্যাসোসিয়েশন।
বৈঠকসূত্র জানায়, লক্ষ্যমাত্রা অনুসারে রাজস্ব আহরণে আইনের যথাযথ প্রয়োগ নিশ্চিত করতে বলা হয়েছে। এ ছাড়া ট্রেড ফ্যাসিলিটেশন নিশ্চিত করার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। অন্যদিকে ভ্যাট আইনের কঠোর প্রয়োগের ওপর জোর দিতে বলা হয়েছে। যারা মোটেও ভ্যাট পরিশোধ করেন না, তাদের ভ্যাটজালে আনা এবং যারা ভ্যাট ফাঁকি দেন, তাদের বিরুদ্ধে আইন অনুসারে শাস্তির ব্যবস্থা করে ভ্যাট আদায় বাড়ানোর নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।
এ ছাড়া কাস্টম হাউসগুলোতে নিলাম কার্যক্রম জোরদার করে কনটেইনার জট কমানো এবং যেসব কনটেইনার অনেক দিন ধরে বন্দরে পড়েছে, সেগুলো আগামী ডিসেম্বরের মধ্যে দ্রুত নিলামে বিক্রির নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।
ইমেজ সংকটে আর্থিক খাত

অতীতের অনিয়ম, দুর্নীতি, লুটপাট আর স্বেচ্ছাচারিতায় জেরবার আর্থিক খাত। এসব থেকে বেরিয়ে আসতে পারছেন না সংশ্লিষ্টরা। ব্যাংক খাতে তৈরি হয়েছে প্রভিশন ঘাটতি ও খেলাপি ঋণের রেকর্ড। আস্থার সংকট কিছুটা কমেছে বটে, কিন্তু ইমেজ সংকট কাটানো যাচ্ছে না। ফলে ব্যাংকে ডিপোজিটের পরিমাণ বাড়লেও বেসরকারি খাতের ঋণ প্রবৃদ্ধি কমেছে। এর প্রভাব পড়ছে বিনিয়োগ ও কর্মসংস্থানে।
এদিকে বাংলাদেশ ব্যাংকের সবচেয়ে স্পর্শকাতর বিভাগ বিএফআইইউ প্রধান এএফএম শাহীনুল ইসলামের অশ্লীল ভিডিও সামাজিক মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ায় কেন্দ্রীয় ব্যাংকেও রয়েছে অস্থিরতা। এ নিয়ে বাংলাদেশ ব্যাংকের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের মধ্যে চলছে কানাঘুষা। এতে করে আর্থিক খাতের নিয়ন্ত্রক সংস্থা হিসেবে কেন্দ্রীয় ব্যাংক ফের ইমেজ সংকটে পড়েছে বলে মনে করছেন বাংলাদেশ ব্যাংকেরই উচ্চপদস্থরা।
অন্যদিকে সরকারি কর্মচারীদের কিছু সুযোগ-সুবিধা কমানোয় গত বুধবার তারা অর্থসচিব ড. খায়েরুজ্জমান মজুমদারের দপ্তরে এসে প্রতিবাদ জানান। অনেকেই অন্তর্বর্তী সরকারের বিরুদ্ধে ক্ষোভ প্রকাশ করেন। এদিকে এনবিআরকে বিলুপ্ত করে পৃথক দুটি বিভাগ করার বিরুদ্ধে শুরু হওয়া আন্দোলন ও অস্থিরতার রেশ এখনও কাটেনি। এনবিআরের অন্তত ৩৬ জন কর্মকর্তাকে সাময়িক বরখাস্ত ও পাঁচজনকে বাধ্যতামূলক অবসরে পাঠানো হয়, বাংলাদেশের রাজস্ব প্রশাসনের ইতিহাসে যেটার নজির নেই। গত ছয় সপ্তাহে ৪০০ জনেরও বেশি কর্মকর্তাকে বদলি করা হয়েছে। প্রতিবছর জাতীয় বাজেটের পর বড় ধরনের বদলি স্বাভাবিক ঘটনা, কিন্তু এবার এই সংখ্যা অনেক বেশি হওয়ায় ব্যাপক আলোচনার জন্ম দিয়েছে। এ ছাড়া বহু কর্মীর মধ্যে এখনও চাকরি হারানোর আতঙ্ক কাজ করছে। সব মিলিয়ে এনবিআরেও এক ধরনের ইমেজ সংকট তৈরি হয়েছে।
অন্যদিকে পুঁজিবাজারের নিয়ন্ত্রক সংস্থার প্রধান হিসেবে মাশরুর রিয়াজকে নিয়োগ দেওয়ায় কর্মকর্তা-কর্মচারীরা বিক্ষোভ করেন। এমন পটভূমিতে মাশরুর রিয়াজ চেয়ারম্যান হিসেবে যোগ দেননি। পরে রাশেদ মাকসুদকে বিএসইসির চেয়ারম্যান নিয়োগ দেওয়া হলে তখনও প্রতিবাদ জানান কর্মকর্তারা। এর পর কঠোর নিরাপত্তা নিয়ে তিনি যোগদান করেন। এ সময় কর্মকর্তারা প্রতিবাদ করেন। আন্দোলন দমাতে ২১ জনকে চাকরিচ্যুত এবং ১৬ জনের বিরুদ্ধে মামলা করে বিএসইসি। এখন বিএসইসির কর্মকর্তাদের মধ্যে আতঙ্ক। এমন ঘটনা শেয়ারবাজারের ইতিহাসেও নজিরবিহীন এবং শেয়ারবাজারেও ইমেজ সংকট হয়েছে।
অন্তর্বর্তী সরকারের ভেতরেও গত আওয়ামী লীগ সরকারের দোসর রয়েছে বলে অনেকের অভিযোগ। ওইসব দোসর পতিত সরকারের উদ্দেশ্য হাসিল করতে ড. ইউনূসের নেতৃত্বাধীন সরকারের মধ্যে পরিকল্পিতভাবে সংকট তৈরি করছে। এতে আর্থিক খাতেও ইমেজ সংকট তৈরি হচ্ছে বলে জানান অর্থবিভাগের একজন অতিরিক্ত সচিব। নিরাপত্তার স্বার্থে নাম প্রকাশ না করার শর্তে তিনি বলেন, যারা ১৬ বছর ধরে অবৈধ সুবিধা নিয়েছেন, তাদের অনেকেই রং বলে এখন আবারও সুবিধা নিচ্ছেন। এনবিআর, অর্থ বিভাগ, বিএসইসি ও বাংলাদেশ ব্যাংকের মতো জায়গাতেও এ রকম রং বদলকারী অনেক কর্মী রয়েছেন।
অন্যদিকে চলমান সংকটের কারণে অচলাবস্থা হয়েছে ব্যাংক মার্জারে। যেসব ব্যাংক মার্জ করা হবে বলে গভর্নরের তরফ থেকে বারবার বলা হচ্ছে, অথচ তা কার্যকর করতে বেশি সময় নেওয়া হচ্ছে। এতে করে ব্যাংকগুলোতে অস্থিরতা বেড়েছে। এতে সামগ্রিকভাবে ব্যাংক খাতে এক ধরনের ইমেজ সংকট তৈরি করছে।
গত বছর ৮ আগস্ট নতুন সরকার দায়িত্ব নেওয়ার পর আর্থিক খাত সংস্কারসহ বিভিন্ন উদ্যোগ নেয়। কিন্তু বছর পেরিয়ে গেলেও এডিপি বাস্তবায়নের হার বাড়ানো যায়নি। চলতি ২০২৫-২৬ অর্থবছরের প্রথম মাস জুলাইয়ে সরকারের বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচি (এডিপি) থেকে মাত্র এক হাজার ৬৪৫ কোটি টাকা ব্যয় করেছে, যা মোট এডিপি বরাদ্দের শূন্য দশমিক ৬৯ শতাংশ।
বিশ^ব্যাংক ঢাকা অফিসের প্রাক্তন মুখ্য অর্থনীতিবিদ ড. জাহিদ হোসেন গতকাল আমাদের সময়কে বলেন, বিএফআইইউর ঘটনায় প্রাতিষ্ঠানিক ভাবমূর্তির অবক্ষয় ঘটেছে। এ ছাড়া এনবিআর এবং বিএসইসির ঘটনা এক পাল্লায় মাপলে চলবে না। এনবিআরের বিষয়টি শৃঙ্খলাভঙ্গের শামিল। এসব ঘটনা ১৫-২০ বছর ধরে গড়ে ওঠা দলীয়করণের কারণেই ঘটেছে। প্রশাসনে ভঙ্গুরতা তৈরি হয়েছে। সেখান থেকে শৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনতে হবে।

এশিয়ায় মানব মমি তৈরির সবচেয়ে পুরোনো নিদর্শন খুঁজে পেলেন গবেষকরা

কোম্পানীগঞ্জে সিএনজি স্ট্যান্ডে চাঁদা না দেওয়ায় সংঘর্ষ

ইতিহাসের এই দিনে ‘পাপুয়া নিউ গিনি স্বাধীনতা লাভ করে’

প্রকাশ করা হলো ৪৫তম বিসিএসের মৌখিক পরীক্ষার সূচি

ভেনিজুয়েলার কথিত মাদকবাহী নৌকায় যুক্তরাষ্ট্রের হামলা, নিহত ৩

বৃষ্টি নিয়ে নতুন তথ্য

মঙ্গলবার রাজধানীর যেসব মার্কেট বন্ধ

বিদেশে হামাস নেতৃত্বের ওপর আঘাত চালানোর ইঙ্গিত নেতানিয়াহুর

আজ কোথায় কী আয়োজন






