বাংলাদেশ ক্রিকেটের সবচেয়ে বড় পোস্টার বয় সাকিব আল হাসান জানিয়েছেন, ক্রিকেট ক্যারিয়ার শেষে রাজনীতি নিয়েই তিনি ব্যস্ত থাকতে চান এবং সেখানে তার একমাত্র পছন্দ আওয়ামী লীগ। সাবেক টাইগার অধিনায়ক ও আওয়ামী লীগের সাবেক সাংসদ জানান, দল পরিবর্তনের কোনো ইচ্ছেও তার নেই এবং সেটি কখনোই ছিল না। তিনি বিশ্বাস করেন, দেশে আওয়ামী রাজনীতি এখন নিষিদ্ধ হলেও সবসময় থাকবে না।
এর আগে ২০২৪ সালের জানুয়ারিতে দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে মাগুরা-১ আসন থেকে আওয়ামী লিগের টিকেটে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়েছিলেন সাকিব। তবে সেই বছরের ৫ অগাস্ট সরকার পতনের সময় তিনি পরিবারের সঙ্গে ছিলেন যুক্তরাষ্ট্রে এবং এরপর আর দেশে ফিরতে পারেননি।
ভারতের মুম্বাইয়ে সম্প্রতি সাকিব একটি ফ্র্যাঞ্চাইজি ক্রিকেটের ইভেন্টে এসেছিলেন। সেখান থেকে ফোনে দীর্ঘ সাক্ষাৎকার দিয়েছেন দেশের একটি অনলাইন পোর্টালকে। যেখানে রাজনৈতিক ক্যারিয়ারের ভবিষ্যৎ আওয়ামী লীগের প্রতিই নিবেদিত কি না, এই প্রশ্নেই তিনি সোজাসাপ্টা শোনালেন নিজের ভাবনা।
সাকিব বলেন, ‘সেটাই তো হওয়ার কথা (আওয়ামী লীগে প্রতিজ্ঞাবদ্ধ) তাই না? আমার এত দল পরিবর্তন করার শখ নেই, ইচ্ছা নেই এবং কোনো কালেও ছিল না। আমি এই জিনিস কখনও করিনি। ঠিক আছে? আমি যদি একটা ছোট দলেও কোনো দিন নাম লিখিয়েছি তো ওই দলের প্রতি সবসময় অনুগত ছিলাম। পল্টি দেওয়ার অভ্যাস নেই।’

