ঢাকা২রা অক্টোবর, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ
আজকের সর্বশেষ সবখবর

খরুচে মোস্তাফিজের পাশে দাঁড়ালেন লিটন

admin
অক্টোবর ১, ২০২৬ ২:৪০ অপরাহ্ণ
Link Copied!

স্পোর্টস ডেস্ক
০১ অক্টোবর ২০২৬

জাপানে চলমান এশিয়ান গেমসে পাকিস্তানের বিপক্ষে সেমিফাইনালে ব্যয়বহুল বোলিং করলেও মোস্তাফিজুর রহমানের পাশেই দাঁড়িয়েছেন বাংলাদেশ অধিনায়ক লিটন দাস। তার দুই ওভারের বোলিংয়ের খরচ বাংলাদেশকে ম্যাচ হারাতে বড় ভূমিকা রাখলেও অভিজ্ঞ এই পেসারের ওপর আস্থা রাখার সিদ্ধান্তকে সমর্থন করেছেন লিটন।

বৃহস্পতিবার নিশিনের কোরোগি স্পোর্টস পার্কে পুরুষ ক্রিকেটের সেমিফাইনালে পাকিস্তানের কাছে ৬ উইকেটে হেরে এশিয়ান গেমসে বাংলাদেশের সোনার পদকের স্বপ্ন শেষ হয়ে যায়। বৃষ্টির কারণে ১৩ ওভারে নেমে আসা ম্যাচে বাংলাদেশ ৭ উইকেটে ১১১ রান করে। জবাবে ১২.৪ ওভারে ৪ উইকেট হারিয়ে ১১২ রান তুলে ফাইনালে জায়গা করে নেয় পাকিস্তান। মুস্তাফিজ ২ ওভারে ৪১ রান দিয়ে একটি উইকেট নেন।

ম্যাচ শেষে সাংবাদিকদের লিটন বলেন, ‘আমরা যদি মাঝের ওভারগুলোতে একটু ভালো বোলিং করতে পারতাম এবং কম ছক্কা হজম করতাম, তাহলে আমাদের জয়ের সুযোগ আরও ভালো থাকত।’

মোস্তাফিজকে বোলিং করানো নিয়ে লিটন বলেন, ‘মোস্তাফিজ ছাড়া আমাদের হাতে আরও কয়েকটি বিকল্প ছিল। আজ মোস্তাফিজ যদি তিনটি উইকেট নিত, তাহলে আপনারা আমাকে এই প্রশ্ন করতেন না। সে অনেক দিন ধরে আমাদের জন্য ভালো করে আসছে। আমার মনে হয়েছে, মোস্তাফিজই সেরা বিকল্প। তাই আমি তাকে বোলিংয়ে এনেছি। কোনো সময় যদি মনে হয় অন্য কেউ ভালো বিকল্প, তাহলে তাকে দিয়েও বোলিং করানো যায়।’

বৃষ্টির কারণে অনুশীলনের সুযোগ না পাওয়ায় প্রস্তুতিও আদর্শ ছিল না বলে জানান লিটন। এশিয়ান গেমসে বাংলাদেশের প্রথম ম্যাচই ছিল পাকিস্তানের বিপক্ষে সেমিফাইনাল। নির্ধারিত কোয়ার্টার ফাইনালে মালয়েশিয়ার বিপক্ষে ম্যাচটি বৃষ্টিতে পরিত্যক্ত হওয়ায় সরাসরি সেমিফাইনালে খেলতে নামে বাংলাদেশ।

লিটন বলেন, ‘না, প্রস্তুতি কখনোই আদর্শ ছিল না। কয়েক দিন ধরে আমরা হোটেলের কক্ষে বসে ছিলাম। এরপর টসেও হেরে গেলাম। ফলে আমাদের তেমন কিছু করার ছিল না। উইকেটও বোঝা কঠিন ছিল। আমরা ভালো খেলতে পারলে অবশ্যই ভালো হতো। কিন্তু এত দিন বসে থাকার পর মাঠে নেমেই অসাধারণ ব্যাটিং করা সহজ নয়। ওই পরিস্থিতি থেকে আমাদের ঘুরে দাঁড়াতে সাহায্য করার জন্য হৃদয়কে কৃতিত্ব দিতে হবে। মোসাদ্দেক ও হৃদয়ের জুটিটাও খুব ভালো ছিল।’

তিনি আরও বলেন, ‘আপনি যখন এত দিন ঘরের মধ্যে থাকেন এবং এরপর হঠাৎ মাঠে নেমে উইকেটে খেলেন, তখন কন্ডিশন বুঝতে কিছুটা সময় লাগে। আমাদের সেই সুযোগও ছিল না। গত কয়েক দিনে আমরা কোনো ম্যাচ খেলিনি, এমনকি উইকেটেও অনুশীলন করার সুযোগ পাইনি। তাই কন্ডিশন সম্পর্কে আমাদের কোনো ধারণা ছিল না।’

লিটন বলেন, ‘তাই প্রথম কয়েক ওভার আমরা আসলে কী প্রত্যাশা করব, সেটি না জেনেই খেলেছি। ধীরে ধীরে ব্যাটাররা কন্ডিশন সম্পর্কে ভালো ধারণা পেয়েছে।’

এশিয়ান গেমসের ফাইনালে উঠতে না পারা এবং সোনার পদকের সুযোগ হারানোয় হতাশা প্রকাশ করে লিটন বলেন, ‘অবশ্যই হতাশ। দেশ ছাড়ার সময় আমরা বলেছিলাম, আমরা ফাইনালে খেলতে চাই। কিন্তু সেখানে যেতে পারিনি।’

তিনি আরও বলেন, ‘আমরা অবশ্যই সোনা জিততে চেয়েছিলাম এবং সেটিই অর্জনের চেষ্টা করছিলাম। আমরা চেষ্টা চালিয়ে যাব। ভবিষ্যতে বাংলাদেশের আরেকটি দল আসবে, তারাও চেষ্টা করবে। তবে কিছু বিষয় যখন ঘাটতি থাকে, তখন অনেক কিছুই আমাদের নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যায়। আমরা অবশ্যই নিজেদের সর্বোচ্চটা দিয়েছি। আমাদের পর যারা আসবে, তারাও এই লক্ষ্য অর্জনের চেষ্টা চালিয়ে যাবে।’

এই সাইটে নিজম্ব নিউজ তৈরির পাশাপাশি বিভিন্ন নিউজ সাইট থেকে খবর সংগ্রহ করে সংশ্লিষ্ট সূত্রসহ প্রকাশ করে থাকি। তাই কোন খবর নিয়ে আপত্তি বা অভিযোগ থাকলে সংশ্লিষ্ট নিউজ সাইটের কর্তৃপক্ষের সাথে যোগাযোগ করার অনুরোধ রইলো। বিনা অনুমতিতে এই সাইটের সংবাদ, আলোকচিত্র অডিও ও ভিডিও ব্যবহার করা বেআইনি।