ঢাকা৯ই আগস্ট, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ
আজকের সর্বশেষ সবখবর

গাজা সিটিতে ধ্বংসস্তূপ থেকে ১৯ মরদেহ উদ্ধার, বেশিরভাগই নারী ও শিশু

admin
আগস্ট ৯, ২০২৬ ৬:১৮ অপরাহ্ণ
Link Copied!

আন্তর্জাতিক ডেস্ক
০৯ আগস্ট ২০২৬

গাজার গাজা সিটিতে ধ্বংস হয়ে যাওয়া একটি আবাসিক ভবনের ধ্বংসস্তূপের নিচ থেকে ১৯টি মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। উদ্ধার হওয়া মরদেহগুলোর বেশিরভাগই নারী ও শিশুর বলে জানিয়েছে গাজার বেসামরিক প্রতিরক্ষা বিভাগ। বার্তাসংস্থা আল-জাজিরার এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানা যায়।

শনিবার চার দিন ধরে চলা উদ্ধার অভিযান শেষ হয়। গাজার পশ্চিমাঞ্চলে অবস্থিত ‘কারাম’ ভবন থেকে এসব মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন উদ্ধার কার্যক্রমের দায়িত্বে থাকা মোহাম্মদ আবু দান।

তিনি জানান, ধ্বংসস্তূপের নিচে আরও মরদেহ থাকার সম্ভাবনা থাকলেও ওই ভবনে উদ্ধারকাজ শেষ হয়েছে। এখন বিশেষায়িত চিকিৎসাকর্মী ও বেসামরিক প্রতিরক্ষা দলের সদস্যরা গাজা সিটির অন্য একটি এলাকায় গিয়ে উদ্ধার অভিযান শুরু করবেন।

ইসরায়েলি হামলায় ধ্বংস হয়ে যাওয়া ভবনগুলোর কংক্রিটের বিশাল অংশ সরানোর মতো ভারী যন্ত্রপাতির তীব্র সংকটে রয়েছে গাজার উদ্ধারকারী দলগুলো। ফলে ধ্বংসস্তূপ সরাতে তাদের প্রাথমিক সরঞ্জাম ও শ্রমনির্ভর পদ্ধতির ওপর নির্ভর করতে হচ্ছে।

বেসামরিক প্রতিরক্ষা কর্মকর্তারা বারবার জানিয়েছেন, ভারী সরঞ্জামের অভাবে উদ্ধারকর্মীরা অত্যন্ত কঠিন পরিস্থিতিতে হাতে-কলমে কাজ করছেন। এতে ধ্বংসস্তূপের নিচে চাপা পড়ে থাকা মৃতদেহ উদ্ধারে দীর্ঘ সময় লাগছে।

গাজার স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের হিসাবে, পুরো উপত্যকায় এখনো ৮ হাজারের বেশি মানুষ ধ্বংসস্তূপের নিচে নিখোঁজ রয়েছেন।

মন্ত্রণালয়ের সর্বশেষ হিসাব অনুযায়ী, গত বছরের ১১ অক্টোবর যুদ্ধবিরতি কার্যকর হওয়ার পর থেকে গাজায় অন্তত ১ হাজার ২৫৪ জন নিহত এবং ৪ হাজার ১২১ জন আহত হয়েছেন। একই সময়ে ধ্বংসস্তূপের নিচ থেকে ৮০৪টি মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে।

২০২৩ সালের অক্টোবর থেকে গাজায় ইসরায়েলি হামলায় মোট নিহতের সংখ্যা ৭৩ হাজার ৩০০ ছাড়িয়েছে। এ সময়ে আহত হয়েছেন ১ লাখ ৭৪ হাজারের বেশি মানুষ।

এই সাইটে নিজম্ব নিউজ তৈরির পাশাপাশি বিভিন্ন নিউজ সাইট থেকে খবর সংগ্রহ করে সংশ্লিষ্ট সূত্রসহ প্রকাশ করে থাকি। তাই কোন খবর নিয়ে আপত্তি বা অভিযোগ থাকলে সংশ্লিষ্ট নিউজ সাইটের কর্তৃপক্ষের সাথে যোগাযোগ করার অনুরোধ রইলো। বিনা অনুমতিতে এই সাইটের সংবাদ, আলোকচিত্র অডিও ও ভিডিও ব্যবহার করা বেআইনি।