ঢাকা১৪ই অক্টোবর, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ

রাশিয়ার হামলায় ইউক্রেনে বিদ্যুৎহীন ৬ লাখ মানুষ: জেলেনস্কি

admin
অক্টোবর ১৪, ২০২৬ ৫:৪৬ অপরাহ্ণ
Link Copied!

আন্তর্জাতিক ডেস্ক
১৪ অক্টোবর ২০২৬

রাশিয়ার রাতভর ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলায় ইউক্রেনের অন্তত ৬ লাখ মানুষ বিদ্যুৎবিহীন হয়ে পড়েছেন। হামলায় রাজধানী কিয়েভ ও আশপাশের অঞ্চল এবং উত্তর-পূর্বাঞ্চলীয় শহর খারকিভের গুরুত্বপূর্ণ জ্বালানি অবকাঠামো ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে বলে জানিয়েছেন ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কি। ব্রিটিশ বার্তাসংস্থা বিবিসির এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানা যায়।

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প রোববার রাশিয়া ও ইউক্রেনের মধ্যে জ্বালানি অবকাঠামোয় হামলা বন্ধে যুদ্ধবিরতি কার্যকরের ঘোষণা দেওয়ার পরও এ হামলার ঘটনা ঘটল।

ইউক্রেনের জরুরি পরিস্থিতি মোকাবিলা সংস্থা ডিএসএনএস জানিয়েছে, কিয়েভে হামলায় অন্তত তিনজন নিহত এবং ২১ জন আহত হয়েছেন।

রাশিয়ার প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, রাতভর চালানো ‘বড় ধরনের’ হামলায় কিয়েভ ও খারকিভ অঞ্চলে ইউক্রেনের সামরিক বাহিনীর ব্যবহৃত যোগাযোগব্যবস্থা ও জ্বালানি স্থাপনাকে লক্ষ্যবস্তু করা হয়েছে।

মন্ত্রণালয় আরও দাবি করেছে, রাতভর রাশিয়ার বিভিন্ন অঞ্চলে ইউক্রেনের ৯০২টি ড্রোন ভূপাতিত করা হয়েছে। এসব অঞ্চলের মধ্যে রাজধানী মস্কো ও ২০১৪ সালে রাশিয়ার দখলে নেওয়া ইউক্রেনের দক্ষিণাঞ্চলীয় উপদ্বীপ ক্রিমিয়াও রয়েছে।

অন্যদিকে ইউক্রেনের বিমানবাহিনী জানিয়েছে, রাশিয়া রাতভর ৩৯টি ব্যালিস্টিক ও ক্রুজ ক্ষেপণাস্ত্র এবং ১২৮টি ড্রোন ছুড়েছে। এর মধ্যে চারটি ক্ষেপণাস্ত্র ও ১১৫টি ড্রোন ভূপাতিত করা হয়েছে বলে দাবি করেছে তারা।

যুদ্ধবিরতি নিয়ে পাল্টাপাল্টি বক্তব্য

রোববার সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেওয়া এক পোস্টে ট্রাম্প ঘোষণা করেন, রাশিয়া ও ইউক্রেনের মধ্যে অবিলম্বে জ্বালানি অবকাঠামোয় হামলা বন্ধের যুদ্ধবিরতি কার্যকর হয়েছে এবং উভয় পক্ষ এতে সম্মত হয়েছে। তিনি পক্ষ দুটিকে চুক্তি ভঙ্গ না করার আহ্বান জানান।

এরপর জেলেনস্কি একাধিকবার বলেছেন, মস্কো একই পদক্ষেপ নিলে ইউক্রেনও রাশিয়ার তেল শোধনাগার ও অন্যান্য জ্বালানি স্থাপনায় হামলা বন্ধ করতে প্রস্তুত।

তবে রাশিয়ার পররাষ্ট্রমন্ত্রী সের্গেই ল্যাভরভ বলেছেন, যুদ্ধবিরতির মাধ্যমে ইউক্রেনকে যে সাময়িক স্বস্তি দেওয়া হবে, দেশটি তার যোগ্য নয়। তার দাবি, যুদ্ধবিরতি হলে ইউরোপ ইউক্রেনকে আরও অস্ত্র সরবরাহের সুযোগ পাবে, যাতে দেশটি যুদ্ধ চালিয়ে যেতে পারে।

২০২২ সালে ইউক্রেনে পূর্ণমাত্রার সামরিক অভিযান শুরু করেন রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন। বর্তমানে ইউক্রেনের প্রায় ২০ শতাংশ ভূখণ্ড রাশিয়ার নিয়ন্ত্রণে রয়েছে।

এই সাইটে নিজম্ব নিউজ তৈরির পাশাপাশি বিভিন্ন নিউজ সাইট থেকে খবর সংগ্রহ করে সংশ্লিষ্ট সূত্রসহ প্রকাশ করে থাকি। তাই কোন খবর নিয়ে আপত্তি বা অভিযোগ থাকলে সংশ্লিষ্ট নিউজ সাইটের কর্তৃপক্ষের সাথে যোগাযোগ করার অনুরোধ রইলো। বিনা অনুমতিতে এই সাইটের সংবাদ, আলোকচিত্র অডিও ও ভিডিও ব্যবহার করা বেআইনি।