আজ রবিবার সকাল ১১টার দিকে ‘জেলা প্রশাসক সম্মেলন-২০২৫’ এর উদ্বোধনী বক্তব্যে এ কথা জানান প্রধান উপদেষ্টা। গত বছরের মতো এবারও রাজধানীর ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনকে জেলা প্রশাসক সম্মেলনের মূল ভেন্যু করা হয়েছে। সকাল সাড়ে ১০টায় তিনব্যাপী এ জেলা প্রশাসক সম্মেলন নিজ কার্যালয়ের শাপলা হল থেকে উদ্বোধন করেন প্রধান উপদেষ্টা। এবার ডিসি সম্মেলন শেষ হবে ১৮ ফেব্রুয়ারি।
ড. ইউনূস বলেন, ‘পাসপোর্ট তো আমার নাগরিক অধিকার। পাসপোর্ট একটি নাগরিক পরিচয়পত্র। এখন আইন করে দিয়েছি পাসপোর্ট করতে পুলিশের ভেরিফিকেশন লাগবে না। এগুলো লাগে না। এগুলো হয়রানি। এই হয়রানির ভূমিকা উল্টে দিতে হবে।’
আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের ওপরই এখন সরকারের সফলতা-ব্যর্থতা নির্ভর করছে মন্তব্য করে তিনি বলেন, ‘বর্তমান পরিস্থিতিতে শান্তি-শৃঙ্খলা বজায় রাখাই সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ। নারী, শিশু ও সংখ্যালঘুদের রক্ষা সরকারের গুরু দায়িত্ব।’
ড. ইউনূস বলেন, ‘পুরো দেশকে একটি টিম হিসেবে বিবেচনা করে কাজ করতে হবে। এমন কিছু করা যাবে না যাতে পুরো টিমের সাফল্য ব্যাহত হয়।’
এসময় প্রধান উপদেষ্টা অন্যের রক্তচক্ষুকে উপেক্ষা করে নিজ বিবেচনায় কাজ করতে জেলা প্রশাসকদের প্রতি আহ্বান জানান। তিনি বলেন, ‘অন্তর্বর্তীকালীন সময়ে এই সুযোগটি পূর্ণ মাত্রায় আছে।’
অনুষ্ঠানে প্রধান উপদেষ্টার সঙ্গে ডিসিদের মুক্ত আলোচনা হবে আজ। সন্ধ্যায় বাংলাদেশ অ্যাডমিনিস্ট্রেটিভ সার্ভিস অ্যাসোসিয়েশনের সঙ্গে সভা করবেন তিনি। রাতে হবে নৈশভোজ।
এবারের সম্মেলনে বিভিন্ন মন্ত্রণালয় ও বিভাগের সঙ্গে মোট কার্য-অধিবেশন হবে ৩০টি। এছাড়া বিশেষ অধিবেশন হবে চারটি। বিশেষ অধিবেশনগুলোর মধ্যে রয়েছে উদ্বোধনী অনুষ্ঠান, প্রধান বিচারপতির সঙ্গে সাক্ষাৎ, প্রধান উপদেষ্টার সঙ্গে একটি মুক্ত আলোচনা এবং বাংলাদেশ অ্যাডমিনিস্ট্রেটিভ সার্ভিস অ্যাসোসিয়েশনের সঙ্গেও একটি সভা হবে। তবে, রেওয়াজ থাকলেও রাষ্ট্রপতির সঙ্গে ডিসিদের সৌজন্য সাক্ষাতের কোনো পর্ব এবার রাখা হয়নি।

