এ জেড ভূঁইয়া রাজু, চট্টগ্রাম
৪ ফেব্রুয়ারি ২০২৫
চীন সরকারের অনুদানে দেশের শিল্প ও বানিজ্য নগরী চট্টগ্রামে পুর্নাঙ্গ বার্ন হাসপাতাল দ্রুত নির্মান ও মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসা সেবায় ওষুধ, ডায়াগনষ্টিক টেস্টে কমিশন বানিজ্য বন্ধ ও রোগীদের ভোগান্তি নিরসনে সেবার মানউন্নয়নে মানববন্ধন ও স্মারকলিপি প্রদান করেছেন কনজ্যুমারস অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ(চট্টগ্রাম) ও যুব ক্যাব চট্টগ্রাম।
০৪ ফেব্রুয়ারি মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল চত্বরে ক্যাব কেন্দ্রিয় কমিটির ভাইস প্রেসিডেন্ট এস এম নাজের হোসাইনের সভাপতিত্বে ও ক্যাব যুব গ্রুপ আবু হানিফ নোমানের সঞ্চালনায় বক্তব্য রাখেন ক্যাব চট্টগ্রাম বিভাগীয় সাধারন সম্পাদক কাজী ইকবাল বাহার ছাবেরী, ক্যাব মহানগরের যুগ্ন সম্পাদক সেলিম জাহাঙ্গীর, ক্যাব চান্দগাও থানা সভাপতি মোহাম্মদ জানে আলম, সদরঘাট থানা সভাপতি মোহাম্মদ শাহীন চৌধুরী, চকবাজার থানা সভাপতি আবদুল আলীম, ক্যাব যুব গ্রুপের রাসেল উদ্দীন, সিদরাতুল মুনতাহা, রায়হান উদ্দীন, নাফিসা নবী, রাইসুল ইসলাম, এমদাদুল ইসলাম, ফয়েজ, ক্যাব মহানগরের সাজ্জাদ উদ্দীন, এডাব চট্টগ্রাম বিভাগীয় সমন্বয়কারী মোহাম্মদ ফোরকান, চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ ৫ম বর্ষের সাকিব হোসেন, আবরার আল ফয়সাল সিয়াম, ফজলে সোবহান সাকিব, অধিকার চট্টগ্রামের ওসমান জাহাঙ্গীর প্রমুখ বক্তব্য রাখেন।
মানববন্ধনে বক্তরা অভিযোগ করে বলেন, বন্দর সুবিধার কারণে গড়ে উঠেছে ইস্পাত কারখানা, সিমেন্ট, জাহাজ ভাঙা শিল্প, পোশাক কারখানা, রাসায়নিক কারখানা, জুতা কারখানা, কনটেইনার ডিপোসহ আমদানি, রপ্তানি ও ট্রেডিং ব্যবসার বহুমাত্রিক হালকা ও ভারী শিল্প কারখানা এবং প্রতিষ্ঠান গড়ে উঠেছে। এছাড়াও শুধুমাত্র চট্টগ্রাম জেলায় প্রায় কোটি মানুষের বসবাস হলেও দেড় দশকেও চট্টগ্রামে পূনাঙ্গ বার্ন হাসপাতাল প্রতিষ্ঠা হয় নাই। যার কারণে অগ্নি ও বিস্ফোরণজনিত দুর্ঘটনায় আহতদের চিকিৎসার কোন সুযোগ-সুবিধা চট্টগ্রামে নাই।
আগুনে পোড়া, গরম পানিতে ঝলসানো ও বৈদ্যুতিক শকে দগ্ধ রোগী প্রাথমিক চিকিৎসার জন্য মাত্র ২৬টি বেড আছে। যেখানে মাসে গড়ে ৯০০ থেকে ১০০০ রোগীকে সেবা দেওয়া হচ্ছে। যা প্রয়োজনের তুলনায় একেবারেই অপতুল চমেক এতদাঞ্চলের ৫ কোটির অধিক মানুষের একমাত্র রেফারেন্স/টার্সিয়ারি হাসপাতাল হলেও আগুনে পুড়ে যাওয়া বেশিরভাগ রোগীকে ঢাকায় বার্ন ইউনিটসহ অন্যান্য হাসপাতালে চিকিৎসা নিতে হয়।

