আজ রবিবার এ বিচার প্রক্রিয়া শুরু হয়। এর আগে গত ২১ এপ্রিল এ মামলার তদন্ত শেষ হয়।
আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের প্রসিকিউটর গাজী এম এইচ তামিম এসব তথ্য নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, ট্রাইব্যুনাল আনুষ্ঠানিক অভিযোগ আমলে নিলেই বিচারের পরবর্তী ধাপ শুরু হবে।
আটজন আসামির মধ্যে ইন্সপেক্টর আরশাদ, কনস্টেবল মো সুজন, কনস্টেবল ইমাজ হোসেন ইমন ও কনস্টেবল নাসিরুল ইসলাম কারাগারে রয়েছেন। এ ছাড়া সাবেক ডিএমপি কমিশনার হাবিবুর রহমান, ডিএমপির সাবেক যুগ্ম কমিশনার সুদীপ কুমার চক্রবর্ত্তী, রমনা জোনের সাবেক এডিসি শাহ আলম মো. আকতারুল ইসলাম ও এসি মো. ইমরুল পলাতক রয়েছেন।
জানা গেছে, চানখাঁরপুল এলাকায় সংঘটিত গণহত্যাসহ মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় রবিবার প্রসিকিউশনের পক্ষ থেকে আনুষ্ঠানিক অভিযোগ আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে দাখিল করা হয়েছে। এখন এই মামলায় অভিযোগ আমলে নেবেন কি না সে বিষয়ে শুনানি হওয়ার কথা রয়েছে।
এর আগে এ মামলায় আনুষ্ঠানিক অভিযোগ দাখিলের জন্য এক মাস সময় দেওয়া হয়েছিল। গত ২২ এপ্রিল ট্রাইব্যুনালের চেয়ারম্যান বিচারপতি মো. গোলাম মর্তূজা মজুমদারের নেতৃত্বে তিন সদস্যের আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল এই আদেশ দেন। ট্রাইব্যুনালের অপর দুই সদস্য হলেন- বিচারপতি মো. শফিউল আলম মাহমুদ ও বিচারপতি মো. মোহিতুল হক এনাম চৌধুরী।
তদন্ত প্রতিবেদনের সারসংক্ষেপে বলা হয়েছে, গণ-অভ্যুত্থানের সময় উল্লিখিত আসামিরা চানখাঁরপুল এলাকায় নিরস্ত্র ও শান্তিপূর্ণ আন্দোলনকারীদের ওপর প্রাণঘাতী অস্ত্র ব্যবহার করেন। এতে শাহরিয়ার খান আনাস, শেখ মাহদি হাসান জুনায়েদ, মো. ইয়াকুব, মো. রাকিব হাওলাদার, মো. ইসমামুল হক ও মানিক মিয়া গুলিবিদ্ধ হয়ে শহীদ হন।

