স্টাফ রিপোর্টার:
২৬ মে ২০২৫
ডিপিডিসি জিগাতলা ৩৩/১ উপকেন্দ্র গ্রীন নর্থ ১ বাড়ী ৭৩/১, রোড নং ৫/এ, ধানমন্ডি ঢাকায় কর্মরত সুইচ বোর্ড এটেনডেন্ট মোঃ আমিনুল ইসলাম সরকারি রাজস্ব কর ফাঁকি দিয়ে ২৫ এপ্রিল ২০২২, দলিল নং ৪৫০৫/২২ এবং দলিল নং ৫৯৬৮/২৪ দুইটি দলিলে বায়না করা হয় ৭২ লক্ষ টাকা এবং ৩৪ লক্ষ টাকা। অথচ ফ্ল্যাট দুইটি রেজিস্টেশন করা হয় মাত্র ৫৮ লক্ষ টাকা দিয়ে। এখানে সরকারকে বিপুল পরিমাণ রাজস্ব ফাঁকি দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। বিদ্যুৎ, জ¦ালানী ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয়ের দায়ের করা অভিযোগ সূত্রে জানা যায়।
সামান্য চাকরি করে লুটপাট ও অনিয়ম করে বিপুল পরিমাণ সম্পদের মালিক হয়েছে। এমনিতে কালো টাকা তার ওপর কর ফাঁকি বিষয়টি গুরুত্বসহকারে তদন্ত করার জন্য সচেতন মহল দাবি করেছে। সামান্য চাকুরি করে ঢাকা শহরে বেশ কয়েকটি ফ্ল্যাট, প্লট ক্রয় করেছেন।
নিম্নে তার অবৈধ সম্পদের বিবরণ দেওয়া হলো- বাসা ১/১ ফ্ল্যাট নং তৃতীয় তলার পশ্চিম রোড ১৭, ব্লক-সি, সেকশন-১০, মিরপুর, ঢাকা। বাসা নং ১৩, রোড নং- ১৪, ব্লক-সি, সেকশন-১০, মিরপুর, ঢাকা, বাসা নং ১৮৩/৫এ দেওয়ানপাড়া, পোস্ট সেনানিবাস, থানা- ভাসানটেক, ঢাকা। উপরোক্ত ফ্ল্যাটগুলো ডিপিডিসি’র সুইচ বোর্ড এটেনডেন্ট মোঃ আমিনুল ইসলামের।
এসবই দুর্নীতি, অনিয়ম ও নানা অবৈধ উপায়ে করেছেন বলে অভিযোগ সূত্রে জানা যায়। এ বিষয়ে আমিনুল ইসলামকে কয়েকবার ফোন করলে তিনি কোন সাড়া দেননি। এ বিষয়ে ডিপিডিসি জিগাতলা উপকেন্দ্রের দায়িত্বে থাকা নির্বাহী প্রকৌশলী নীলাঞ্জন চক্রবর্তী বলেন তিনি আমার এখানেই কর্মরত আছেন। আর বেশিকিছু বলেননি। তিনি ছোট পদে চাকুরি করেন। সামান্য চাকুরি করে এ বিপুল পরিমাণ সম্পদের মালিক কি করে হলেন, এ যেন আলাদীনের চেরাগ তার হাতে।
সম্পাদক:মো: আবু ফাত্তাহ
বেঙ্গল সেন্টার (৬ষ্ঠ তলা) ২৮ তোফখানা রোড ঢাকা-১০০০।
ফোন:০১৬১৮৫১১৫১৭ মেইল: sattyasamacher@gmail.com
Copyright © 2026 sattyasamacher.com. All rights reserved.