সীতাকুণ্ড(চট্টগ্রাম)প্রতিনিধি।।চট্টগ্রামের সীতাকুণ্ড উপজেলায় ডেঙ্গু প্রতিরোধে জনসচেতনতামূলক র্যালি ও মশক নিধন পরিচ্ছন্নতা অভিযানে জেলা প্রশাসক জাহিদুল ইসলাম মিঞার উপস্থিতি সত্ত্বেও টনক নড়েনি ট্রাফিক পুলিশের।
আজ ২৬ সেপ্টেম্বর(শনিবার) সীতাকুন্ড উপজেলা প্রশাসনের উদ্যোগ ডেঙ্গু নিধন ও পরিচ্ছন্নতা অভিযানের বিশাল শোভাযাত্রার মধ্যেই সিএনজি অটোরিকশা ও অবৈধ মিশুকের তীব্র বিশৃঙ্খলা দেখা যায়।প্রত্যক্ষদর্শীরা ট্রাফিক পুলিশের বিরুদ্ধে মাসোহারা ও চাঁদা আদায়ের অভিযোগ তুলেছেন।
স্থানীয়রা জানান,ডেঙ্গু প্রতিরোধ ও পরিচ্ছন্নতা অভিযানের বিশেষ ‘ক্রাশ প্রোগ্রাম’-এ ট্রাফিক পুলিশের চরম গাফিলতি পরিলক্ষিত হয়েছে।শোভাযাত্রাটি পৌরসভা কার্যালয় থেকে বের হয়ে কলেজ রোড অতিক্রম করার সময় একাধিক সিএনজি অটোরিকশা অনিয়ন্ত্রিতভাবে ঢুকে পড়ে, যা কর্মসূচির সৌন্দর্য ও শৃঙ্খলা বিনষ্ট করে। জেলা প্রশাসকের মতো উচ্চপদস্থ কর্মকর্তার উপস্থিতিতে আয়োজিত কর্মসূচিতে এ ধরনের বিশৃঙ্খলা অত্যন্ত দৃষ্টিকটু।
এলাকাবাসীর অভিযোগ, অটোরিকশার কারণে সীতাকুণ্ড পৌরবাসীকে প্রতিদিন চরম ভোগান্তি পোহাতে হয়।রুট পারমিটহীন ও প্রত্যন্ত অঞ্চলের যানবাহনগুলো ট্রাফিক পুলিশকে নিয়মিত মাসোহারা দিয়ে অবাধে চলাচল করছে। পুলিশের একটি সিন্ডিকেট কৌশল অবলম্বন করে এসব অনৈতিক সুবিধা আদায় করছে বলেও তাদের দাবি। সীতাকুণ্ড পৌর সদরে চাঁদা প্রদান ব্যতিরেকে কোনো যানবাহন চলাচল করতে পারে না; সাধারণ মানুষ এই চাঁদাবাজির দ্রুত অবসান চান।
স্থানীয় চালকদের ভাষ্যমতে, পুলিশ সকাল থেকেই সাধারণ যানবাহন নিয়ন্ত্রণে কঠোর ভূমিকা দেখালেও রুট পারমিটহীন অবৈধ অটোরিকশার বিরুদ্ধে ছিল নীরব।এসব অটোরিকশার মালিকরা প্রভাবশালী হওয়ায় ট্রাফিক পুলিশ চোখ বন্ধ করে রয়েছে।
ঘটনার বিষয়ে বক্তব্য জানতে সীতাকুণ্ড উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ফখরুল ইসলামের মুঠোফোনে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তাকে পাওয়া যায়নি।
জেলা প্রশাসকের আগমন ঘিরে ট্রাফিক নিয়ন্ত্রণে এমন উদাসীনতার বিষয়ে ট্রাফিক সার্জেন্ট মুনতেজার হোসেনের সাথে একাধিকবার মুঠোফোনে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও কোনো সাড়া মেলেনি।

