সত্য সমাচার ডেস্ক:
আগস্ট 23, ২০২৬
শরীরকে সতেজ ও সারাদিন কর্মক্ষম রাখতে সঠিক খাদ্যাভ্যাসের ভূমিকা অপরিসীম। তবে খাদ্য নির্বাচনে স্বাদের চেয়ে পুষ্টিগুণকে প্রাধান্য দেওয়া জরুরি। দীর্ঘ সময় না খেয়ে থাকার পর সকালে খালি পেটে কী খাচ্ছেন, তার ওপর নির্ভর করে সারাদিনের শারীরিক সুস্থতা ও মেটাবলিজম। পুষ্টিবিদদের মতে, সকালে কিছু বিশেষ খাবার খেলে শরীর থেকে বিষাক্ত পদার্থ বের হয়ে যায় এবং পাওয়া যায় তাৎক্ষণিক শক্তি।
মধু ও হালকা গরম পানি
দিনের শুরুতে এক গ্লাস হালকা গরম পানিতে মধু মিশিয়ে পান করা অত্যন্ত উপকারী। এতে থাকা বিভিন্ন খনিজ, ভিটামিন ও উৎসেচক শরীরের ভেতরের টক্সিন দূর করতে সাহায্য করে এবং হজম ক্ষমতা বাড়ায়। যাদের লেবুতে গ্যাস্ট্রিকের সমস্যা নেই, তারা চাইলে পানির সঙ্গে সামান্য লেবুর রসও যোগ করতে পারেন।
রাতে ভেজানো কাঠবাদাম
সকালের নাশতায় ভেজানো কাঠবাদাম (আমন্ড) রাখা বেশ স্বাস্থ্যকর। সারারাত পানিতে ভিজিয়ে রেখে সকালে খোসা ছাড়িয়ে খেলে বাদামের সব পুষ্টি উপাদান সহজে শোষিত হয়। এটি প্রোটিন, ম্যাগনেসিয়াম, ভিটামিন ই ও ওমেগা-৩ ফ্যাটি অ্যাসিডে সমৃদ্ধ, যা ওজন নিয়ন্ত্রণে রাখার পাশাপাশি সারাদিন শরীরে শক্তি জোগায়।
প্রোটিনসমৃদ্ধ ডিম
সকালের খাদ্যতালিকায় সিদ্ধ বা হালকা তেলে ভাজা ডিম রাখা উচিত। এতে প্রচুর পরিমাণে প্রোটিন থাকে, যা দীর্ঘ সময় পেট ভরিয়ে রাখে। ফলে বারবার খাওয়ার প্রবণতা কমে এবং ওজন নিয়ন্ত্রণে রাখা সহজ হয়।
ওটস ও কলার মিশ্রণ
স্বাস্থ্যকর প্রোটিন ও ফাইবারের দারুণ উৎস হলো ওটস। গরম পানিতে বা দুধে ওটস ও পাকা কলা দিয়ে পরিজ বানিয়ে খেলে পাকস্থলীতে অ্যাসিডের ভারসাম্য বজায় থাকে। এই খাবারটি রক্তের খারাপ কোলেস্টেরল কমাতেও বেশ কার্যকর। রুচি বাড়াতে এর ওপর কিছু কাজু বা কাঠবাদামের কুচি ছড়িয়ে দেওয়া যেতে পারে।
তাজা ফলমূল
সকালের উপোস ভাঙতে বা খালি পেটে তাজা ফল খাওয়া অত্যন্ত পুষ্টিকর অভ্যাস। ফলে প্রচুর পরিমাণে ফাইবার, প্রয়োজনীয় ভিটামিন ও পানি থাকে, যা পানিশূন্যতা দূর করে দ্রুত শক্তি জোগায়। তাই প্রতিদিনের নাশতায় অন্তত একটি বাটিতে মৌসুমী ফল রাখা ভালো।
সম্পাদক:মো: আবু ফাত্তাহ
বেঙ্গল সেন্টার (৬ষ্ঠ তলা) ২৮ তোফখানা রোড ঢাকা-১০০০।
ফোন:০১৬১৮৫১১৫১৭ মেইল: sattyasamacher@gmail.com
Copyright © 2026 sattyasamacher.com. All rights reserved.