সংঘর্ষ চলাকালে আরমান নামের এক ব্যক্তিকে আটক করে সেনাবাহিনী। পরে তারা আরমানকে ডিবির কাছে সোপর্দ করেন। আরমানকে ডিবির কাছ থেকে ছাড়িয়ে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসতাপালে চিকিৎসার ব্যবস্থা করেন আসিফ।
এরপর নিজের ফেসবুক আইডিতে দেওয়া পোস্টে তিনি লেখেন, ‘৫ আগস্টের পর এই জনতাই সকল সংকট থেকে দেশকে রক্ষা করতে এগিয়ে এসেছে। বিপ্লবোত্তর একটা ভঙ্গুর আর অসহযোগিতা পূর্ণ প্রশাসন নিয়ে জনতার সাহায্য ছাড়া টিকে থাকা অসম্ভব ছিল।’
তিনি লেখেন, ‘গতকাল যারা সরকারকে মিস ইনফরমেশন দিয়েছেন নোট করে রাখা হয়েছে। আর যারা মুখোশ পরে নানারকম ষড়যন্ত্রে লিপ্ত, তারাও সাবধান হয়ে যান। জনতাকে এখন আর ঘোল খাওয়ানো যায় না, তারা সব বোঝে। ’
আরমানের বিষয়ে আসিফ মাহমুদ লেখেন, ‘মামার নাম আরমান, উনি রিকশাওয়ালা না। আগে রিকশা চালাতেন। এখন বায়তুল মোকাররমের সামনের দোকানগুলোতে পানি সাপ্লাইয়ের কাজ করেন। পুলিশকে সহায়তা করতে গেলে তার ওপরেও হামলা করে আহত করা হয়। পরবর্তীতে আর্মির সদস্যরা তাকে এরেস্ট করে ডিবিতে সোপর্দ করে। তাকে ছাড়িয়ে এখন ঢাকা মেডিকেলে প্রাথমিক চিকিৎসার জন্য নেওয়া হয়েছে। ’
সবশেষে তিনি লেখেন, ‘জনতাই শক্তি’।

