১৭৮ রানের লক্ষ্যে ব্যাট করতে নেমে শুরুতেই শরিফুল ইসলামের তোপের মুখে পড়ে শ্রীলংকা। সফরজুড়ে বাংলাদেশকে ভোগানো কুসল মেন্ডিস রানআউট হলেও তিনে নামা কুশল পেরেরাকে ফেরান শরিফুল। দলীয় তৃতীয় ওভারের পঞ্চম বলে পেরেরাকে ফেরানোর পর পঞ্চম ওভারের প্রথম বলে আবারও শরিফুলের আঘাত। এবার শামীম হোসেনের কাছে ক্যাচ দিতে বাধ্য করেন আবিষ্কা ফার্নান্দোকে। এদিন সেট হতে পারেননি লংকান অধিনায়ক চারিথ আসালাঙ্কাও। মোহাম্মদ সাইফউদ্দিনের বলে ৫ রান করেই বাংলাদেশ অধিনায়কের কাছে উইকেটের পেছনে ক্যাচ দেন তিনি। ৩০ রানে ৪ উইকেট হারিয়ে বসে শ্রীলংকা।
আরেক পাশে একের পর এক উইকেট পরলেও অবিচল ছিলেন ওপেনার পাথুম নিশাঙ্কা। পঞ্চম উইকেটে দাসুন শানাকাকে নিয়ে গড়েন ৪১ রানের জুটি। তবে লংকানদের প্রতিরোধের চেষ্টা ওই পর্যন্তই শেষ। এরপর তাসের ঘরের মতো ভেঙে পড়ে তাদের ইনিংস। শেষদিকে তাদেরকে বিধ্বস্ত করেন মূলত রিশাদ হোসেন। নিশাঙ্কা (৩২), চামিকা করুনারত্নে ও বিনুরা ফার্নান্দোকে ফেরান তিনি। নিশাঙ্কার ইনিংসই হয়ে থাকে লংকানদের সর্বোচ্চ।

