প্রতিনিধি ঠাকুরগাঁও আব্দুর রউফ
দীর্ঘ ৩৭ বছর পর ঠাকুরগাঁও-২ (বালিয়াডাঙ্গী-হরিপুর) আসনে পরিবর্তনের
হাওয়া বইয়ে জয় পেয়েছেন ডা. আব্দুস সালাম। সাধারণত বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল-এর ধানের শীষ প্রতীকে
প্রতিদ্বন্দ্বিতা করে তিনি আওয়ামী লীগের শক্ত ঘাঁটি হিসেবে পরিচিত এ আসন থেকে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়েছেন।
নির্বাচন শেষে প্রতিক্রিয়ায় নবনির্বাচিত এই এমপি বলেন, “আমি শাসক হতে চাই না, জনগণের সেবক হিসেবে দায়িত্ব পালন করতে চাই। এই বিজয় আমার একার নয়, ঠাকুরগাঁও- ২ আসনের মানুষের বিজয়।”
ফলাফল ও ব্যবধান রিটার্নিং কর্মকর্তার ঘোষিত ফলাফলে দেখা যায় –
ধানের শীষ প্রতীক নিয়ে ডা. আব্দুস সালাম পেয়েছেন ১,২১,০১৭ ভোট নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী মাওলানা আব্দুল হাকিম (বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী) দাঁড়িপাল্লা প্রতীকে পেয়েছেন ১,১৫,৭০৭ ভোট
তিনি ৫,৯৬৩ ভোটের ব্যবধানে জয়লাভ করেন। শান্তিপূর্ণ পরিবেশে ভোটগ্রহণ শেষে গণনা সম্পন্ন করে আনুষ্ঠানিকভাবে ফলাফল ঘোষণা করা হয়। রাজনৈতিক প্রেক্ষাপট ঠাকুরগাঁও-২ আসনটি দীর্ঘদিন ধরে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ-এর শক্ত ঘাঁটি হিসেবে পরিচিত ছিল এবং স্থানীয়ভাবে “মিনি গোপালগঞ্জ” নামে পরিচিতি পেয়েছিল। প্রায় ২৯ বছর পর জোট রাজনীতি থেকে বের হয়ে প্রথমবার সরাসরি বিএনপি মনোনয়ন পেয়ে শেষ মুহূর্তে প্রার্থী হন ডা. আব্দুস সালাম এবং আলোচিত এই বিজয় অর্জন করেন।
এলাকাজুড়ে উল্লাস ফলাফল ঘোষণার পর তার সমর্থকরা বিভিন্ন এলাকায় আনন্দ
মিছিল ও উল্লাস করেন।
আর এই জয়ের পিছনে মাঠ,ঘাটে গ্রাম থেকে গ্রামে বাবার নিরলস পরিশ্রম করেন তার মেয়ে ডা. কাসফিয়া সালাম নির্ঝর বিজয়ের হওয়ার পর তিনি বলেন আমার স্বপ্ন ছিল সংসদে যাওয়ার
আপনরা সেই সুযোগ করে দিয়েছেন এজন্য আপনাদের দেওয়া প্রতিশ্রুতি আমরা পালন করবো,
এইসময় তিনি আরো বলেন ঠাকুরগাঁও দুই আসনের মানুষ আমার পরিবার, দলমত,জাতী, ধর্ম, বর্ণ সকলেই আমার বাবাকে ভোট দিয়েছেন এ জয় শুধু বিএনপির নয় এ জয় সাধারণ মানুষের
এজন্য আমার পরিবারের পক্ষ থেকে আমি সকলে অভিনন্দন ও শুভেচ্ছা জানাচ্ছি, ঠাকুরগাঁও দুই আসনের পরাজিত সকল প্রার্থীকে তিনি শুভেচ্ছা জানিছেন স্থানীয়দের প্রত্যাশা, নবনির্বাচিত এই
জনপ্রতিনিধি এলাকার উন্নয়ন, অবকাঠামো সম্প্রসারণ ও জনকল্যাণমূলক কর্মকাণ্ডে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবেন।
সচেতন মহলের মতে, জনগণের প্রত্যাশা পূরণ ও এলাকার সার্বিক উন্নয়ন নিশ্চিত করাই এখন নবনির্বাচিত এমপির
সামনে বড় কাজ

