
রাজধানীর মিরপুরের পল্লবীতে নৃশংস হত্যাকাণ্ডের শিকার রামিসার আক্তারের পরিবারের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। এ সময় রামিসার মা-বাবা ও বোনকে সান্ত্বনা দেন তিনি। বৃহস্পতিবার রাতে মন্ত্রিসভার বৈঠক শেষে সচিবালয় থেকে রওনা দিয়ে ঢাকার পল্লবীর রামিসা আক্তারের পরিবারের সঙ্গে দেখা করেন তারেক রহমান।
প্রধানমন্ত্রীর প্রেস উইং জানিয়েছে, রাত সোয়া ৯ টায় মন্ত্রিসভার বৈঠক শেষ হয়। এরপর প্রধানমন্ত্রী রামিসার পল্লবীর বাসার উদ্দেশ্যে রওনা হয়ে ৯ টা ৫০ মিনিটে পৌছান প্রধানমন্ত্রী।
পল্লবীর মিরপুর-১১ নম্বরের সেকশনের বি ব্লকের ৭ নম্বর সড়কের ৩৯ নম্বর বাড়ির তিনতলার উত্তর পাশের ফ্ল্যাটে গত ১৭ বছর ধরে বসবাস করে আসছে রামিসার পরিবার। বাবা আবদুল হান্নান মোল্লা একটি রিক্রুটিং এজেন্সিতে চাকরি করেন। মা পারভীন আক্তার। বড় বোন রাইসা আক্তার স্থানীয় একটি স্কুলে নবম শ্রেণিতে পড়ে।
প্রধানমন্ত্রীকে কাছে রামেসার বাবা, মা ও বোন কান্নায় ভেঙ্গে পড়েন। এ সময় প্রধানমন্ত্রী তাদের স্বান্ত্বনা দেন। একই সঙ্গে রামিসার হত্যার সঙ্গে জড়িতদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির আশ্বাস দেন প্রধানমন্ত্রী। এ সময় প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে ছিলেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ, আইনমন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান, ক্রিড়া প্রতিমন্ত্রী আমিনুল হক, ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব:) ড. এ কে এম শামছুল ইসলাম, ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের প্রশাসক শফিকুল ইসলাম মিল্টন, প্রধানমন্ত্রীর প্রেস সচিব সালেহ শিবলী, অতিরিক্ত প্রেস সচিব আতিকুর রহমান রুমন প্রমুখ।
গত মঙ্গলবার দ্বিতীয় শ্রেণির শিক্ষার্থী রামিসাকে পাশের ফ্ল্যাটের ভাড়াটিয়া সোহেল রানা নৃশংসভাবে হত্যা করে। ঘাতক সোহেলকে নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লা থেকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ।
বৃহস্পতিবার স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ বলেছেন, এ ঘটনায় দ্রুততম সময়ের মধ্যে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি নিশ্চিত করা হবে। পুলিশ জানায়,গত মঙ্গলবার সকালে রামিসা বাসা থেকে বের হওয়ার পর সোহেল রানা তাকে নিজের কক্ষে ডেকে নিয়ে যায়। পরে তাকে হত্যা করে। পরে রামিসার মস্তকবিহীন মরদেহ খাটের নিচ থেকে উদ্ধার করা হয় এবং বাথরুমে রাখা একটি বালতির ভেতর থেকে তার বিচ্ছিন্ন মাথা উদ্ধার করা হয়।
পুলিশ জানায়,স্থানীয় লোকজন অভিযুক্তের স্ত্রী স্বপ্না আক্তারকে আটক করলেও সোহেল রানা জানালার গ্রিল কেটে পালিয়ে যায়। পরে সন্ধ্যায় নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লা এলাকা থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। গতকাল বুধবার অভিযুক্ত ঢাকার একটি আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছে বলে জানা গেছে।
সম্পাদক:মো: আবু ফাত্তাহ
বেঙ্গল সেন্টার (৬ষ্ঠ তলা) ২৮ তোফখানা রোড ঢাকা-১০০০।
ফোন:০১৬১৮৫১১৫১৭ মেইল: sattyasamacher@gmail.com
Copyright © 2026 sattyasamacher.com. All rights reserved.