
দেশে রাজনৈতিক স্থিতিশীল অবস্থা তৈরিতে শিক্ষার্থীদের সহযোগিতা চেয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।
মঙ্গলবার দুপুরে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় অধ্যাপক মুজাফফর আহমদ চৌধুরী অডিটোরিয়ামে শিক্ষার্থীদের মুখোমুখি হয়ে প্রধানমন্ত্রী এই সহযোগিতা চান।
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের চারুকলা ইনস্টিটিউট অংকন ও চিত্রায়ন বিভাগের স্নাতকোত্তর শ্রেনীর প্রথম পর্বে ছাত্রী কারেরী আজাদ প্রধানমন্ত্রীকে প্রশ্ন করেছিলেন, ‘আর্টিস্টদের শিল্প বাজার প্রসারে আপনাদের কোনো পদক্ষেপ বা কোনো ধরনের পরিকল্পনা আছে কিনা। আমোদের ফাইন আর্টস ফ্যাকাল্টিতে ৮টা ডিপার্টমেন্ট আছে কিন্তু এখানে মিউজিওলজি বা কনজারভেশন, আর্টওয়ার্ক রেস্টোরেশন এগুলো নিয়ে বা নিউ মিডিয়া আর্ট নিয়ে কোন ধরনের ডিপার্টমেন্ট নেই। যেখানে ধরেন ইন্ডিয়াতে আমি যেমন আইসিসিআর স্কলারশিপে আমি এপ্লাই করছি সেখানে ওদের এরকম সময় উপযোগী বিভাগ আছে। আমাদের জাদুঘরে এক্সপার্টদেরকে আমরা বাইরে থেকে আনতে হচ্ছে। যদি ডিপার্টমেন্ট থাকতো আমাদের ইউনিভার্সিটি গুলোতে তখন আমরা একটা বেশ বড় সংখ্যায় ট্রেইন্ড লোকজন পেতাম যারা এখানে কাজ করতে পারেন তো এটা নিয়ে কোন কিছু আপনারা পরিকল্পনা আছে কিনা।’
প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘ডিপার্টমেন্ট আরো ওপেন হবে না এটা তো আমি সঠিক বলতে পারবো না, এটা ভিসি সাহেব বলতে পারবেন। দেখুন, কাবেরী(কাবেরী আজাদ) প্রশ্নের উত্তর বলতে গিয়ে আমি একটু ভিন্নভাবে উত্তরটা দিব। এই যে আপনারা অনেক কিছু যে চাইছেন, মনে করছেন হওয়া উচিত দেশে… এই সকল কিছু যদি আমাদেরকে আস্তে আস্তে ধীরে ধীরে তৈরি করতে হয় আমাদেরকে দেশে কিন্তু একটি স্থিতিশীল পরিবেশ লাগবে। আমরা যদি দেশের রাজনৈতিক পরিস্থিতি স্থিতিশীল না রাখতে পারি, তাহলে আমরা কোন কিছুই তৈরি করতে পারবো না। তৈরি হবে ভেঙে যাবে। সেজন্য একটা স্থিতিশীল পরিবেশ দরকার।’
‘এই ক্ষেত্রে আমি মনে করি আপনাদের প্রত্যেক স্টুডেন্টের একটা বড় ভূমিকা আছে। যেই ভূমিকাটা আপনারা সোশ্যাল মিডিয়া হোক, আপনারা যে মাধ্যমে ধীরে ধীরে কিন্তু এটা একটা অপিনিয়ন তৈরি করতে হবে। ঠিক আছে… আমরা রাজনীতি করব। আমরা রাজনীতি করেছি। রাজপথে অনেক কিছু বা এখন স্থিতিশীলতা আসতে হবে। রাজনীতিকে সংসদে যেতে হবে। শুধু রাজপথে এসে হৈচৈ করলেই কোন কিছু গড়ে তোলা যায় না।’
প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘কোন কিছু গড়ে তোলার জন্য কিন্তু স্থিতিশীলতা লাগে, কোন কিছু গড়ে তোলার জন্য বসে আলোচনা করতে হয়, কোন কিছু গড়ে তোলার জন্য বসে চিন্তা করে কাজ হাত দিতে হয়। কাজেই এই সহযোগিতা কিন্তু আপনাদের লাগবে। বিকজ ফিউচার ইজ ইউরস, ফিউচার ইজ ইউরস।আপনাদেরকে এখানে শক্ত হতে হবে, আপনাদেরকে এখানে প্রতিবাদ করতে হবে। কাবেরী আপনার প্রশ্নের উত্তরটা আমি ডাইরেক্টলি দিলাম না বাট আমি যেভাবে চিন্তা করি সেভাবে বললাম।’
সম্পাদক:মো: আবু ফাত্তাহ
বেঙ্গল সেন্টার (৬ষ্ঠ তলা) ২৮ তোফখানা রোড ঢাকা-১০০০।
ফোন:০১৬১৮৫১১৫১৭ মেইল: sattyasamacher@gmail.com
Copyright © 2026 sattyasamacher.com. All rights reserved.