নিজস্ব প্রতিবেদক
কৃষিবিদ ইনস্টিটিউশন বাংলাদেশ (কেআইবি) কমপ্লেক্সের অভ্যন্তরে প্রধানমন্ত্রীর আগমন উপলক্ষে জরুরি সংস্কার কাজ এবং তার ব্যয় বরাদ্দকে কেন্দ্র করে একটি মহল কর্তৃক উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে বিভ্রান্তি ছড়ানোর অভিযোগ উঠেছে। প্রতিষ্ঠানটির হিসাবরক্ষক দিলীপ কুমার সরকার এক লিখিত বিবৃতিতে জানিয়েছেন যে, তাঁর একটি বক্তব্য গোপনে ভিডিও ধারণ করে, তা কাটছাঁট (কাটপিস) করে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে প্রচার করে জ্যেষ্ঠ নেতৃবৃন্দকে হেয় প্রতিপন্ন করার চেষ্টা চালানো হচ্ছে।
সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, গত ৯ মে মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর আগমন উপলক্ষে কেআইবি কমপ্লেক্সের বিভিন্ন অংশে জরুরি সংস্কার কাজের প্রয়োজনীয়তা দেখা দেয়। এরই প্রেক্ষিতে ইঞ্জিনিয়ার হাবিব ও স্টোর কিপার আমজাদ তাৎক্ষণিকভাবে কিছু সংস্কার কাজ সম্পন্ন করেন। তবে সেই কাজের মান সাধারণ কৃষিবিদ ও নেতৃবৃন্দের আশানুরূপ না হওয়ায় ক্ষোভের সৃষ্টি হয়। পরবর্তীতে ৩১ মে প্রধানমন্ত্রীর আরেকটি কর্মসূচিকে সামনে রেখে জ্যেষ্ঠ কৃষিবিদ নেতৃবৃন্দ যথাক্রমে কৃষিবিদ রিজভী, কৃষিবিদ সৈকত ও কৃষিবিদ মাসুমকে পুরো কাজের তদারকির দায়িত্ব প্রদান করেন। কেআইবির মাননীয় প্রশাসকও জ্যেষ্ঠ নেতৃবৃন্দের নির্দেশনা অনুযায়ী কাজ পরিচালনার নির্দেশ দেন।
আর্থিক লেনদেন প্রসঙ্গে হিসাবরক্ষক দিলীপ কুমার সরকার তাঁর বিবৃতিতে বলেছেন, পবিত্র ঈদুল আজহার ছুটি থাকায় চলমান সংস্কার কাজ যেন ব্যাহত না হয়, সেজন্য আমি পর্যায়ক্রমে অগ্রিম বাবদ ৪ লাখ টাকা প্রদান করি। এই খরচের যাবতীয় বিল ও ভাউচার আমার কাছে সম্পূর্ণ সংরক্ষিত রয়েছে। এতে কোনো ধরনের আর্থিক অসংগতি নেই। অতীতেও কেআইবির মতো বৃহৎ প্রতিষ্ঠানে জরুরি প্রয়োজনে মৌখিক নির্দেশনায় কাজ সম্পন্ন হয়েছে এবং পরবর্তীতে বিল-ভাউচার যাচাই সাপেক্ষে তা সমন্বয় করা হয়েছে।"
লিখিত বিবৃতিতে তিনি আরও অভিযোগ করেন, মূল বিষয়টিকে ভিন্ন খাতে প্রবাহিত করতে এবং জ্যেষ্ঠ নেতৃবৃন্দকে সামাজিকভাবে হেয় প্রতিপন্ন করার উদ্দেশ্যে ডা. শফিকুর রহমান ও কৃষিবিদ আনিসের প্ররোচনায় কৃষিবিদ ফয়সার তাঁর অজান্তে গোপনে ভিডিও ধারণ করেন। পরবর্তীতে সেই ভিডিওটি অসৎ উদ্দেশ্যে এডিট বা কাটপিস করে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে দেওয়া হয়, যা অত্যন্ত দুঃখজনক ও নিন্দনীয়। তিনি উল্লেখ করেন, অনুমতি ছাড়া কারও ব্যক্তিগত ভিডিও ধারণ করে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে প্রচার করা একটি দণ্ডনীয় অপরাধ। তিনি অবিলম্বে এই অপপ্রচার বন্ধের জোরালো আহ্বান জানিয়েছেন।
বিবৃতির শেষে একটি বিশেষ দ্রষ্টব্যের মাধ্যমে হিসাবরক্ষক অত্যন্ত দৃঢ়তার সাথে স্পষ্ট করে বলেন, তাঁকে কোনো ধরনের ভয়ভীতি দেখিয়ে বা বন্দুক প্রদর্শন করে জোরপূর্বক কোনো টাকা-পয়সা নেওয়া হয়নি। সম্পূর্ণ প্রাতিষ্ঠানিক প্রয়োজনেই নিয়মমাফিক এই অর্থ অগ্রিম হিসেবে দেওয়া হয়েছিল।
সম্পাদক:মো: আবু ফাত্তাহ
বেঙ্গল সেন্টার (৬ষ্ঠ তলা) ২৮ তোফখানা রোড ঢাকা-১০০০।
ফোন:০১৬১৮৫১১৫১৭ মেইল: sattyasamacher@gmail.com
Copyright © 2026 sattyasamacher.com. All rights reserved.