আগামী ১২ ফেব্রুয়ারির নির্বাচনকে সামনে রেখে পাঠানো এই চিঠিতে সাংবাদিকদের বিরুদ্ধে সন্ত্রাসবিরোধী আইনের অপব্যবহার, মতপ্রকাশের স্বাধীনতা, শান্তিপূর্ণ সমাবেশের অধিকার সুরক্ষিত না থাকার বিষয়ে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করা হয়।

আগামী ১২ ফেব্রুয়ারির নির্বাচনকে সামনে রেখে পাঠানো এই চিঠিতে সাংবাদিকদের বিরুদ্ধে সন্ত্রাসবিরোধী আইনের অপব্যবহার, মতপ্রকাশের স্বাধীনতা, শান্তিপূর্ণ সমাবেশের অধিকার সুরক্ষিত না থাকার বিষয়ে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করা হয়।
চিঠিতে বলা হয়, আন্তর্জাতিক আইনের অধীনে মানবাধিকার পুনরুদ্ধারের যে দায়িত্ব অন্তর্বর্তী সরকার পেয়েছে, আগামী কয়েক সপ্তাহ হবে তা পালনের গুরুত্বপূর্ণ পরীক্ষা। নির্বাচনকালেও নাগরিকদের নির্বিঘ্নে মত প্রকাশ ও অংশগ্রহণ নিশ্চিত করতে কার্যকর আইন ও নীতি প্রয়োগের তাগিদ দেওয়া হয়। বাংলাদেশের ভবিষ্যৎ নির্ধারণে নাগরিকেরা যাতে পুরোপুরি এবং নির্ভয়ে অংশগ্রহণ করতে পারেন, সেটি নিশ্চিত করে প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূসের সরকারকে প্রকৃত নেতৃত্বের পরিচয় দিতে হবে।
চিঠিতে আরো বলা হয়, গত ১৮ ডিসেম্বর, শরিফ ওসমান বিন হাদি নিহতের পর সহিংসতা প্রতিরোধে প্রশাসনের অপর্যাপ্ত ভূমিকার বিষয়টিও উদ্বেগজনক। বিশেষকরে, ওই রাতে, প্রথম আলো ও দ্য ডেইলি স্টার কার্যালয়ে অগ্নিসংযোগ করা হয়েছিল এবং নিউ এজ সম্পাদক নূরুল কবীরকে হেনস্তা করা হয়।
এছাড়াও একই দিন ময়মনসিংহের ভালুকায় ধর্ম অবমাননার অভিযোগে দীপু চন্দ্র দাস নামের এক হিন্দু ব্যক্তিকে গণপিটুনিতে হত্যা করা হয় বলে চিঠিতে উল্লেখ করা হয়।
এদিকে, নির্বাচনের আগে মানবাধিকার সুরক্ষায় করণীয় তুলে ধরে একটি মানবাধিকার সনদ প্রকাশ করেছে অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনাল।
সম্পাদক:মো: আবু ফাত্তাহ
বেঙ্গল সেন্টার (৬ষ্ঠ তলা) ২৮ তোফখানা রোড ঢাকা-১০০০।
ফোন:০১৬১৮৫১১৫১৭ মেইল: sattyasamacher@gmail.com
Copyright © 2026 sattyasamacher.com. All rights reserved.