প্রতিবেদনে বলা হয়, বিষয়টি রিপাবলিকান প্রেসিডেন্ট ও হার্ভার্ডের মধ্যকার চলমান দ্বন্দ্বকে নতুন মাত্রায় নিয়ে গেছে, যেখানে ট্রাম্প বিশ্ববিদ্যালয়টির তহবিল হুমকির মুখে ফেলে রাজনৈতিক তদারকি চাপিয়ে দেওয়ার চেষ্টা করছেন
যুক্তরাষ্ট্রের একাধিক মর্যাদাপূর্ণ বিশ্ববিদ্যালয়কে লক্ষ্যবস্তু করেছেন। এসব অভিযোগের ভিত্তিতে তিনি তাদের বাজেট, কর অব্যাহতি ও বিদেশি শিক্ষার্থীদের ভর্তি প্রক্রিয়া প্রশ্নবিদ্ধ করছেন। তবে হার্ভার্ড এসব চাপের কাছে নতি স্বীকার করেনি।
ম্যাসাচুসেটসের ফেডারেল আদালতে দায়ের করা মামলায় হার্ভার্ড বলেছে, ‘এই মামলা যুক্তরাষ্ট্র সরকার কর্তৃক ফেডারেল অর্থ সহায়তা আটকে দিয়ে হার্ভার্ডের একাডেমিক সিদ্ধান্ত গ্রহণে প্রভাব বিস্তারের প্রচেষ্টা সংক্রান্ত।’
মামলায় আরও বলা হয়, ‘সরকারের এই পদক্ষেপ শুধু সংবিধানের প্রথম সংশোধনী নয়, বরং বিদ্যমান ফেডারেল আইন ও নীতিমালারও পরিপন্থী।’ এতে ট্রাম্প প্রশাসনের কার্যক্রমকে ‘ইচ্ছাকৃত ও খামখেয়ালি’ বলা হয়েছে।
হার্ভার্ড সরকার নির্ধারিত নিয়ন্ত্রণ মানতে অস্বীকৃতি জানালে গত সপ্তাহে ট্রাম্প ২.২ বিলিয়ন ডলার ফেডারেল অর্থ সহায়তা স্থগিতের নির্দেশ দেন।
ট্রাম্প প্রশাসন হার্ভার্ডের ভর্তি, শিক্ষক নিয়োগ ও রাজনৈতিক দৃষ্টিভঙ্গির ওপর সরাসরি নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠা করতে চায়।
মামলায় ফেডারেল অর্থ সহায়তা স্থগিতাদেশ ও তাতে আরোপিত শর্তাবলিকে বেআইনি ঘোষণা করার দাবি জানানো হয়েছে, পাশাপাশি ট্রাম্প প্রশাসনকে মামলার খরচ পরিশোধে বাধ্য করার দাবিও তোলা হয়েছে।

