তিনি আরও বলেন, ‘দেশের সকল ইসলামপন্থী রাজনৈতিক দল ও পীর-মাশায়েখদের নিয়ে বৃহত্তর ঐক্য গঠনের চেষ্টা চলছে। জুলাই বিপ্লবের পর যারা ক্ষমতা দখল করেছে, তারা আজ দেশের অঘোষিত মালিক সেজেছে। অপরাধীদের ছাড়িয়ে নেওয়া, চাঁদাবাজির উৎসব, পক্ষপাতদুষ্ট প্রশাসন— সবই চলছে সরকারের ছত্রছায়ায়।’
আজ শনিবার বগুড়া শহরের ঐতিহাসিক টিটু মিলনায়তনে বগুড়া জেলা ও মহানগর উলামা মাশায়েখ পরিষদের উদ্যোগে আয়োজিত সম্মেলনে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
রফিকুল ইসলাম খান বলেন, ‘প্রশাসনের মধ্যে যারা দলীয় পক্ষপাতিত্ব করছে, তাদের অপসারণ করে নিরপেক্ষ প্রশাসন গঠন করতে হবে। সুষ্ঠু নির্বাচনের জন্য লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড ও স্থানীয় সরকার নির্বাচন অবশ্যই জাতীয় নির্বাচনের আগে দিতে হবে। তা না হলে দেশের আলেম সমাজ ঐক্যবদ্ধভাবে অপচেষ্টা রুখে দেবে।’
তিনি অভিযোগ করেন, ‘শেখ হাসিনার সরকার জামায়াত নেতৃবৃন্দকে বিচারবহির্ভূতভাবে হত্যা করেছে। এসব হত্যার সঙ্গে জড়িত বিচারক, আইনজীবী, সাক্ষীসহ সংশ্লিষ্ট সকলকে বিচারের আওতায় আনতে হবে।’
ঐক্যবদ্ধ হওয়ার আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, ‘জেলখানায় বসেই আলেম সমাজ ঐক্যের ভিত্তি তৈরি করেছেন। এবার নির্বাচনে সেই ঐক্যের বাস্তবায়ন হবে ইনশাআল্লাহ। আমাদের মসজিদগুলো হবে দাওয়াত ও ঐক্যের কেন্দ্র। আলেমরা ঐক্যবদ্ধ হলে এদেশে ইসলামের বিজয় কেউ ঠেকাতে পারবে না।’

