ঢাকা২৫শে এপ্রিল, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ

এক বছরে ১৫০০ বাড়ি ভেঙেছে ইসরায়েল

admin
ডিসেম্বর ১৭, ২০২৫ ১০:২৯ পূর্বাহ্ণ
Link Copied!

আন্তর্জাতিক ডেস্ক
১৭ ডিসেম্বর ২০২৫,

ফিলিস্তিনের পশ্চিম তীরে দখলদার ইসরায়েলি বাহিনীর অবৈধ কার্যক্রম থামছে না। আল জাজিরার প্রতিবেদন অনুযায়ী দখলদার বাহিনী বিগত এক বছরে অঞ্চলটিতে দেড় হাজার বাড়ি ভেঙে দিয়েছে বা ক্ষতিগ্রস্ত করেছে। ২৫টি আবাসিক ভবন ভাঙার পরিকল্পনা করছে তারা। খবর আল জাজিরার।

স্থানীয় কর্তৃপক্ষের তথ্যানুসারে অধিকৃত পশ্চিম তীরের নূর শামস শরণার্থীশিবিরে এই সপ্তাহে ইসরায়েলি সামরিক বাহিনী ২৫টি ভবন ভেঙে দেবে। তুলকারেম গভর্নরেটের গভর্নর আবদুল্লাহ কামিল জানান, ইসরায়েলি প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের সংশ্লিষ্ট সংস্থা তাকে এই পরিকল্পিত ধ্বংসের বিষয়ে অবহিত করেছে।

নূর শামসের কাছে অবস্থিত তুলকারেম ক্যাম্পের কমিটির প্রধান ফয়সাল সালামা বলেন, এই ধ্বংসের ফলে প্রায় ১০০টি পরিবারের ঘর ক্ষতিগ্রস্ত হবে। ইসরায়েল গত জানুয়ারিতে উত্তর-পশ্চিম তীরের শরণার্থী শিবিরগুলোতে সশস্ত্র গোষ্ঠীগুলোর বিরুদ্ধে লড়াই করার অজুহাতে ‘অপারেশন আয়রন ওয়াল’ শুরু করেছিল।

রামাল্লা থেকে আল জাজিরার নূর ওদেহ জানান, এটি এক বৃহত্তর অভিযানের অংশ, যার ফলে গত এক বছরে ৩২ হাজার ফিলিস্তিনি জোরপূর্বক বাস্তুচ্যুত হয়েছে।

মানবাধিকার সংস্থা ও ফিলিস্তিনিরা এটিকে ফিলিস্তিনিদের ‘খাঁচায় পুরে ফেলা’র ও পশ্চিমতীরের মানচিত্র পরিবর্তন করার প্রচেষ্টা বলে অভিহিত করেছে। ফিলিস্তিনি জাতীয় কাউন্সিলের প্রধান রুহি ফাত্তুহ এই সিদ্ধান্তকে ‘জাতিগত নির্মূল ও অবিরাম জোরপূর্বক স্থানচ্যুতি’র অংশ বলেছেন।

ব্রাউন ইউনিভার্সিটির অধ্যাপক ওমের বারতোভ মন্তব্য করেছেন, ইসরায়েল দখলকৃত পশ্চিম তীরের ফিলিস্তিনি জনসংখ্যাকে ‘মানবেতর’ করে তুলছে, যা একধরনের ক্রমবর্ধমান ‘সামাজিক মৃত্যু’র পরিস্থিতি তৈরি করছে। ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলো চরম অনিশ্চয়তার মধ্যে রয়েছে।

শিবিরের এক বাসিন্দা সিহাম হামায়েদ বলেন, ‘আমার ভাইদের সবগুলো বাড়িঘর ধ্বংস করা হবে। আর আমারা সবাই এরই মধ্যে রাস্তায় আশ্রয় নিয়েছি।

এই সাইটে নিজম্ব নিউজ তৈরির পাশাপাশি বিভিন্ন নিউজ সাইট থেকে খবর সংগ্রহ করে সংশ্লিষ্ট সূত্রসহ প্রকাশ করে থাকি। তাই কোন খবর নিয়ে আপত্তি বা অভিযোগ থাকলে সংশ্লিষ্ট নিউজ সাইটের কর্তৃপক্ষের সাথে যোগাযোগ করার অনুরোধ রইলো। বিনা অনুমতিতে এই সাইটের সংবাদ, আলোকচিত্র অডিও ও ভিডিও ব্যবহার করা বেআইনি।