
আজ সোমবার বিকেলে নারায়ণগঞ্জ সদর উপজেলার হাজীগঞ্জ এলাকায় দেশের প্রথম ‘জুলাই শহীদ স্মৃতিস্তম্ভ’ উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে এ কথা বলেন আইন উপদেষ্টা।
আসিফ নজরুল বলেন, ‘জুলাইয়ের গণঅভ্যুত্থানে নারায়ণগঞ্জের ২১ জন শহিদ হয়েছেন, এ ছাড়া সাড়ে ৩০০ মানুষ আহত হয়েছেন। আপনাদের দৃঢ়কণ্ঠে জানাতে চাই, বিচারের কার্যক্রম পূর্ণ গতিতে এগিয়ে চলছে। কোনো রকম গাফিলতি থাকবে না। আমরা বিশ্বাস করি বর্তমান সরকারের শাসনামলেই জুলাই হত্যাকাণ্ডের বিচার হবে।’
তিনি আরও বলেন, ‘জুলাইয়ে আহত ও নিহত অনেকগুলো মামলার তদন্তের অগ্রগতি হয়েছে। ৫ আগস্টের আগেই এসব মামলার চার্জশিট দিতে বলা হয়েছে। চার্জশিট দিলেই বিচারের প্রক্রিয়া শুরু হবে। প্রয়োজনে দ্রুত বিচার আইনে শহীদদের হত্যার বিচার করা হবে।’
আইন উপদেষ্টা বলেন, ‘জুলাই আন্দোলনে আমরা কেন বিজয়ী হয়েছিলাম? কারণ ফ্যাসিস্টকে বাদ দিয়ে আমরা সবাই ঐক্যবদ্ধ হয়েছিলাম। আমাদের ওই ঐক্য ধরে রাখতে হবে। ঐক্য অটুট থাকলে আমরা সামনেও বিজয়ী হবো।’
অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন, শিল্প উপদেষ্টা আদিলুর রহমান খান, শিক্ষা উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. চৌধুরী রফিকুল আবরার, পরিবেশ উপদেষ্টা সৈয়দা রিজওয়ানা হাসান, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ উপদেষ্টা ফাওজুল কবির খান, জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব মোখলেছ উর রহমান ও গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ের সচিব নজরুল ইসলাম।
অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন ঢাকা বিভাগীয় কমিশনার শরফ উদ্দিন আহমদ চৌধুরী, নারায়ণগঞ্জের জেলা প্রশাসক জাহিদুল ইসলাম মিঞা, পুলিশ সুপার প্রত্যুষ কুমার মজুমদার, নারায়ণগঞ্জ মহানগর বিএনপির আহ্বায়ক সাখাওয়াত হোসেন, সদস্যসচিব আবু আল ইউসুফ খান টিপু, জেলা ও মহানগর জামাতের সাবেক আমির এবং কেন্দ্রীয় কর্ম পরিষদ সদস্য মাওলানা মাঈনউদ্দিন, মহানগরের বর্তমান আমির মাওলানা আব্দুল জব্বার, গণসংহতি আন্দোলনের নারায়ণগঞ্জের সমন্বয়ক তরিকুল সুজন, ছাত্র ফেডারেশনের জেলার সভাপতি ফারহানা মানিক মুনা, জাতীয় নাগরিক পার্টির কেন্দ্রীয় কমিটির দক্ষিণ অঞ্চলের সমন্বয়ক মোহাম্মদ শওকত আলী, বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলনের আহ্বায়ক নীরব রায়হানসহ অন্য নেতারা। পরে জুলাই আন্দোলনে শহীদ পরিবার ও আহতদের জন্য দোয়া ও মোনাজাত করা হয়।
সম্পাদক:মো: আবু ফাত্তাহ
বেঙ্গল সেন্টার (৬ষ্ঠ তলা) ২৮ তোফখানা রোড ঢাকা-১০০০।
ফোন:০১৬১৮৫১১৫১৭ মেইল: sattyasamacher@gmail.com
Copyright © 2026 sattyasamacher.com. All rights reserved.