সত্য সমাচার ডিজিটাল:
১১ ফেব্রুয়ারি ২০২৫
গণহত্যার দায়ে আওয়ামী লীগকে নিষিদ্ধ করা, গণহত্যার বিচার ও গণহত্যাকারীদের গ্রেফতারের দাবিতে সংবাদ সম্মেলন করেছে গণঅধিকার পরিষদ। এ ছাড়া দেশব্যাপী ১২ থেকে ১৯ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত বিভিন্ন ধরনের কর্মসূচি পালনেরও ঘোষণা দেওয়া হয়েছে।
লিখিত বক্তব্যে রাশেদ খাঁন বলেন, আমরা গভীর উদ্বেগের সঙ্গে লক্ষ্য করছি, অন্তর্বর্তীকালীন সরকারকে ক্ষমতা গ্রহণের পর থেকে একেরপর এক আন্দোলন সরকারের স্থিতিশীলতার পথে ব্যাঘাত সৃষ্টি করছে। তারই ধারাবাহিকতায় গত ৫ ফেব্রুয়ারি দেশের বিভিন্ন স্থানে বুলডোজার দিয়ে ধানমন্ডি ৩২ সহ সারাদেশের বিভিন্ন জায়গায় বাড়িঘরে ভাঙচুর চালানো হয়েছে। যেখানে ভাঙচুর চালানো হয়েছে, সেখানে কোনো আ.লীগ নেই। অথচ সচিবালয়, পুলিশ, র্যাব, বিজিবিসহ প্রশাসন ও সরকারের সব সেক্টরে যেসব আওয়ামী সুবিধাভোগীরা রয়েছে, তারা বহাল তবিয়তে।
‘গণঅভ্যুত্থানের ৬ মাস পরেও সরকার ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর উপস্থিতিতে এ ধরনের ঘটনা সরকারের দুর্বলতার বহিঃপ্রকাশ ও সরকারকে চ্যালেঞ্জের মুখোমুখি ফেলানোর শামিল। এতে প্রমাণিত হয়, সরকারের প্রত্যক্ষ ইন্ধন/সহযোগিতায় এসব ঘটনা সংগঠিত হয়েছে, অথবা সরকার এসব নিয়ন্ত্রণ করতে পুরোপুরি ব্যর্থ হয়েছে। জনগণের মনে প্রশ্ন, সিটি করপোরেশন বা সরকারি বুলডোজার কারা সরবরাহ করলো? এই ঘটনার কারণে বাংলাদেশ সম্পর্কে আন্তর্জাতিক মহলের কাছে নেতিবাচক বার্তা গেছে; ১. ড. মুহাম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বে গঠিত সরকার বাংলাদেশকে এখনো স্থিতিশীল করতে পারেনি, ২. বিদেশি বিনিয়োগ আসার সম্ভাবনা কম, ৩. গার্মেন্টসসহ বিভিন্ন পণ্যের রপ্তানিতে বিদেশি ক্রেতার সংকট ৪. বাংলাদেশে অবস্থানরত ও আসতে আগ্রহী বিদেশি পর্যটকরা আতঙ্কিত হতে পারে ইত্যাদি।’

