সত্য সমাচার ডেক্স
১ জানুয়ারি ২০২৫
১লা রজব দোয়া কবুলের রাত্র। পবিত্র হাদীছ শরীফ-এ ইরশাদ হয়েছে, ‘রজবুল হারাম মাস মহান আল্লাহ পাক উনার খাছ মাস। যে ব্যক্তি রজব মাসকে সম্মান করবে সে দুনিয়া ও আখিরাতে সম্মানিত হবে।’
হাদীছ শরীফ-এ আর ও ইরশাদ হয়েছে, “নিশ্চয়ই পাঁচ রাত্রিতে (বিশেষভাবে) দোয়া কবুল হয়।
১. রজব মাসের পহেলা রাত
২. শবে বরাত বা বরাতের রাত
৩. শবে ক্বদর বা ক্বদরের রাত
৪. ঈদুল ফিতরের রাত ও
৫. ঈদুল আদ্বহার রাত।
এ পাঁচটি রাত্র মুবারক-এর মধ্যে রজব মাসের পহেলা তারিখের মর্যাদা-মর্তবা অন্যতম। ১লা রজব রাতের প্রতিটা মূহুর্তকে আমাদের প্রত্যেকের উচিত কাজে লাগানো বলে এক বিশিষ্ট আলেম মত দেন!
পবিত্র রজবুল হারাম শরীফ মাস উনার আমল সম্পর্কে পবিত্র হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে ইরশাদ মুবারক হয়েছে, “যে মুসলমান পুরুষ-মহিলা পবিত্র রজবুল হারাম মাস উনার কোনো এক দিনে মহান আল্লাহ পাক পাক উনার সন্তুষ্টি মুবারকের উদ্দেশ্যে রোযা রাখবে এবং কোনো এক রাত্রি নফল ইবাদত-বন্দেগীতে কাটিয়ে দিবে, মহান আল্লাহ পাক তিনি তার আমলনামায় এক বৎসর দিনে রোযা রাখার এবং রাত্রিতে ইবাদত-বন্দেগী করার ছওয়াব লিখে দিবেন।” সুবহানাল্লাহ!
পহেলা রজব রাত্রে যিকির, ফিকির, দরূদ শরীফ, কুরআন শরীফ তিলাওয়াত, তওবা-ইস্তিগফার, দোয়া-কালামের মাধ্যমে সারা রাত জাগ্রত থাকা প্রত্যেক মুসলমান পুরুষ-মহিলা, জিন-ইনসান সকলের জন্য অবশ্য কর্তব্য।
আর এজন্য সরকারিভাবে সকল প্রতিষ্ঠানের কর্তব্যরত কর্মীদের কমপক্ষে ২ (দুই) দিনের ছুটি দেয়াও অপরিহার্য কর্তব্য বলে মনে করেন আলেমগণ! এতে করে মানুষ ইতমিনানের সাথে উক্ত রাত্রে ইবাদত-বন্দিগী, দোয়া-কালাম করতে পারবে।
আমাদের প্রত্যেকের কর্তব্য এদিনের ফযীলতকে কাজে লাগিয়ে কামিয়াবী অর্জন করা উচিত বলে মনে করেন আলেম সমাজ। তথা আল্লাহ পাক এবং হুযূর পাক সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনাদের সন্তুষ্টি অর্জন করা।

