অনলাইন ডেস্ক
মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধ বন্ধে পাকিস্তানে অনুষ্ঠিত আলোচনায় অচলাবস্থার জন্য যুক্তরাষ্ট্রের ‘অযৌক্তিক দাবি’কে দায়ী করেছে ইরান। ইরানের রাষ্ট্রীয় সম্প্রচারমাধ্যম আইআরআইবি টেলিগ্রামে জানায়, ইরানি প্রতিনিধি দল ২১ ঘণ্টা ধরে টানা ও নিবিড়ভাবে আলোচনা চালিয়েছে, যাতে ইরানি জনগণের জাতীয় স্বার্থ রক্ষা করা যায়। বিভিন্ন উদ্যোগ নেয়া সত্ত্বেও আমেরিকান পক্ষের অযৌক্তিক দাবির কারণে আলোচনায় অগ্রগতি হয়নি। ফলে আলোচনা শেষ হয়েছে।
মার্কিন ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্সের মন্তব্যের পরপরই এমন প্রতিক্রিয়া দিয়েছে ইরান। জেডি ভ্যান্স জানান, তারা ইসলামাবাদ ত্যাগ করছেন এবং একটি ‘চূড়ান্ত ও সর্বোত্তম প্রস্তাব’ রেখে যাচ্ছেন। তিনি সাংবাদিকদের বলেন, ‘দেখা যাক, ইরান এটি গ্রহণ করে কি না।’ তিনি বলেন, ইরান যুক্তরাষ্ট্রের শর্ত- বিশেষ করে পারমাণবিক অস্ত্র তৈরি না করার অঙ্গীকার মেনে নেয়নি। বাস্তবতা হলো, আমরা এমন একটি স্পষ্ট প্রতিশ্রুতি চাই যে তারা পারমাণবিক অস্ত্র তৈরি করবে না এবং সেই সক্ষমতা অর্জনের পথেও যাবে না। তিনি আরও বলেন, এটাই যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডনাল্ড ট্রাম্পের এবং আমরা আলোচনার মাধ্যমে সেটিই অর্জনের চেষ্টা করেছি।
ভ্যান্সের ভাষায়, খারাপ খবর হলো আমরা কোনো চুক্তিতে পৌঁছাতে পারিনি। আর আমি মনে করি এটি যুক্তরাষ্ট্রের চেয়ে ইরানের জন্য বেশি খারাপ খবর। তিনি আরও জানান, যুক্তরাষ্ট্র তাদের রেড লাইন স্পষ্টভাবে তুলে ধরেছে।
ভ্যান্স বলেন, আলোচনার সময় তিনি প্রেসিডেন্ট ডনাল্ড ট্রাম্পের সঙ্গে ‘অন্তত ছয়বার’ কথা বলেছেন। এই বৈঠকটি ছিল এক দশকেরও বেশি সময়ের মধ্যে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের প্রথম সরাসরি আলোচনা এবং ১৯৭৯ সালের ইসলামি বিপ্লবের পর সর্বোচ্চ পর্যায়ের সংলাপ। মার্কিন প্রতিনিধি দলে ছিলেন জেডি ভ্যান্স, বিশেষ দূত স্টিভ উইটকফ এবং ট্রাম্পের জামাতা জ্যারেড কুশনার। ইরানের প্রতিনিধি দলের নেতৃত্ব দেন পার্লামেন্ট স্পিকার মোহাম্মদ বাকের গালিবাফ এবং পররাষ্ট্রমন্ত্রী সৈয়দ আব্বাস আরাঘচি।
সম্পাদক:মো: আবু ফাত্তাহ
বেঙ্গল সেন্টার (৬ষ্ঠ তলা) ২৮ তোফখানা রোড ঢাকা-১০০০।
ফোন:০১৬১৮৫১১৫১৭ মেইল: sattyasamacher@gmail.com
Copyright © 2026 sattyasamacher.com. All rights reserved.