তার মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন হুজাইফার সঙ্গে থাকা চাচা শাখাওয়াত।
পরিবারের সদস্যরা জানান, দীর্ঘ ২৭ দিন ধরে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল ও ঢাকার নিউরো সায়েন্স হাসপাতালে আইসিইউতে চিকিৎসা চললেও তার শরীর থেকে গুলি বের করা সম্ভব হয়নি।

তার মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন হুজাইফার সঙ্গে থাকা চাচা শাখাওয়াত।
পরিবারের সদস্যরা জানান, দীর্ঘ ২৭ দিন ধরে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল ও ঢাকার নিউরো সায়েন্স হাসপাতালে আইসিইউতে চিকিৎসা চললেও তার শরীর থেকে গুলি বের করা সম্ভব হয়নি।
হুজাইফার মৃত্যুর খবরে তার বাড়ি ও আশপাশের এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে।
ফুফু নাছিমা আক্তার অভিযোগ করে বলেন, সীমান্তে নিরাপত্তা দুর্বলতার কারণেই এমন ঘটনা ঘটেছে। হুজাইফা কোনো যুদ্ধ করেনি। তবুও গুলির শিকার হলো।
উল্লেখ্য, গত ১৩ জানুয়ারি টেকনাফ উপজেলার হোয়াইক্যং ইউনিয়নের তেচ্ছা ব্রিজ এলাকায় মায়ানমার থেকে ছোড়া গুলিতে আহত হয় হুজাইফা আফনান। সে লম্বাবিল গ্রামের বাসিন্দা জসিম উদ্দিনের মেয়ে এবং লম্বাবিল হাজী মোহাম্মদ হোসেন সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের তৃতীয় শ্রেণির ছাত্রী ছিল।
সম্পাদক:মো: আবু ফাত্তাহ
বেঙ্গল সেন্টার (৬ষ্ঠ তলা) ২৮ তোফখানা রোড ঢাকা-১০০০।
ফোন:০১৬১৮৫১১৫১৭ মেইল: sattyasamacher@gmail.com
Copyright © 2026 sattyasamacher.com. All rights reserved.